বৃহস্পতিবার, ৭ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ৯:২৬
শিরোনাম :
দেশের ২০ শতাংশ মানুষ ভুগছে থাইরয়েড রোগে ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় ইসরাইলের লড শহরের বাসিন্দারা

অনলাইন ডেস্ক  নানা কারণে হামাসের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইসরাইলকে পরাজিত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হলো— এ আগ্রাসনের কারণে বিশ্বজুড়ে যে পরিমাণ নিন্দা ইসরাইল কুড়িয়েছে, তা বলার বাইরে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও বর্বর ইহুদি রাষ্ট্রটির কুকীর্তি প্রচার হয়েছে ফলাও করে। সবচেয়ে বড় আঘাত হয়ে এসেছে দেশটির অভ্যন্তরে আরবদের সঙ্গে ইসরাইলিদের সংঘর্ষের বিষয়টি। লড শহরের সংঘাত ইসরাইলিদের মধ্যে ‘গৃহযুদ্ধের’ ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল।

জেরুজালেমে ফিলিস্তিনি কিছু পরিবারকে তাদের আবাস থেকে জোর করে উচ্ছেদ ও আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলের সৈন্যদের হামলা থেকে এবার সংঘাতের সূচনা হয়। একই সময়ে ইসরাইলের লড শহরেও দেখা দেয় বিশৃঙ্খলা। দ্রুতই তা রূপ নেয় সংঘাতে।

এরপর মূলত সেখানে বসবাসরত ইহুদিরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

মে মাসের এ সংঘাতকে ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে এবং ভয়াবহ হিসেবে দেখছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে লডেও ইহুদি এবং ফিলিস্তিনিরা সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। ধর্মীয় উপাসনালয়, ঘরবাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় ইসরাইলের বাসিন্দা এক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করা হয় এবং গাড়িতে পাথর ছুড়ে মারা হলে নিহত হন এক ইহুদি, যা গৃহযুদ্ধের ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল ইহুদিদের মধ্যে।
বিবিসিকে লড শহরের দুই বাসিন্দা আরব-ইসরাইলি মাহা এবং ইসরাইলি ইহুদি তালি নিজেদের শঙ্কার কথা জানান।

উভয়েই তিন সন্তানের জননী।

ব্রিটেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমটির কাছে মাহা ও তালি তুলে ধরেন ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কার কথা।

ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে ১০ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত ১১ দিনের সংঘাতে ২৫০-এর বেশি ফিলিস্তিনি এবং ১২ জনের মতো ইহুদি নিহত হন। পরে মিসরের মধ্যস্থতায় ২১ মে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। কিন্তু এ যুদ্ধ আরব এবং ইসরাইলিদের মধ্যে যে সংঘাতের শুরু করে দিয়ে গেল তা নিয়ে শঙ্কা বাড়ছেই।