শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৬:২৮
শিরোনাম :
বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ

পোশাক শ্রমিকদের ছুটি শুরু ১৮ জুলাই

ডেস্করিপোর্ট  পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে শ্রমিকদের আগামী ১৮ জুলাই থেকে ছুটি ঘোষণা করছেন পোশাক কারখানার মালিকরা। আগামী ২১ জুলাই ঈদুল আজহা। সে উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকবে ২০ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট তিন দিন। করোনার এ সময়ে ঈদে শ্রমিকরা যাতে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে বাড়ি যেতে পারেন, সেজন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি ছুটির পাশাপাশি শ্রমিকদের বার্ষিক ছুটিও যোগ করে দিচ্ছেন তারা।

নিটওয়্যার কারখানা মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর পরিচালক ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘আমরা ১৮ জুলাই থেকেই কারখানা শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে ছুটি দিয়ে দিচ্ছি, যাতে তারা দল বেধে বাড়ি না যায়।’

তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম মান্নান কচি বলেন, ‍‍‍‘দেশে করোনার অবস্থা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় পোশাক শ্রমিকের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে সরকার ঘোষিত ছুটির সঙ্গে বাড়তি ছুটি দিচ্ছে কারখানাগুলো। তারপরও আমরা চাই শ্রমিকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুক।’

তিনি বলেন, ‘এমনিতে সরকার ঈদ উপলক্ষে তিনদিন ছুটি ঘোষণা করেছে। তবে গার্মেন্টস কারখানাগুলোর ছুটির বিষয়ে মঙ্গলবার রাজধানীর শ্রম ভবনে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বৈঠক করবেন। এরপর বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।’

এ বিষয় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, ‘ঈদে সরকারি ছুটি তিন দিনের বেশি দেওয়ার এখতিয়ার নেই। তবে যদি কোনো কারখানা মালিক ও শ্রমিক সমন্বয় করে ছুটি বাড়ান, তাহলে বাড়াতে পারেন।