শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:৫২
শিরোনাম :
বিএম কলেজে আপত্তিকর অবস্থায় বহিরাগত তরুণ তরুণী আটক বিএম কলেজের ছাত্রীনিবাসে চোর আতঙ্ক, নিরাপত্তাহীনতায় শিক্ষার্থীরা নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের নিন্দা দেশে কেউ সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু নয়, সব নাগরিকের পরিচয় বাংলাদেশি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ১৫ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ বরিশাল চরকাউয়ায় মসজিদ-মন্দিরের নানা অব্যবস্থাপনা, দ্রুত সমাধান জরুরী সিসা দূষণ প্রতিরোধে বিএম কলেজে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নেত্রকোনায় প্রকাশ্যে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপনের প্রতিবাদ

আগামীতে দেশে টিকার আর কোনো সংকট থাকবে না

ডেস্করিপোর্ট  জাপান সরকারের ‍উপহার হিসেবে পাঠানো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দুই লাখ ৪৫ হাজার ২শ ডোজ টিকা ঢাকায় পৌঁছেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন টিকাগুলো গ্রহণ করেন।

শনিবার (২৪ জুলাই) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে টিকা বহনকারী বিশেষ বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। টিকা গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামীতে দেশে টিকার আর কোনো সংকট থাকবে না।

জাপান সরকার ১৫টি দেশের জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক কোটি ১০ লাখ ডোজ টিকা কোভ্যাক্সের আওতায় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। জাপানের উপহার পাবে এমন দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের নাম। তালিকা অনুযায়ী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২৯ লাখ টিকা পাবে বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম চালান এলো আজ।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনের চালান পৌঁছার খবর বাংলাদেশের জন্য একটি সুসংবাদ। কারণ এ মুহূর্তে ১৫ লাখ মানুষ অক্সফোর্ডের তৈরি এ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় রয়েছেন।

বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট (এসআইআই) থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনের ১.২ কোটি ডোজ পেয়েছে। দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। শুরুতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ও ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড দিয়ে এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেও ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় পরে এ টিকার সংকট হয় দেশে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, এ টিকার প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩০ জনের মধ্যে সাড়ে ১৪ লাখের বেশি মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয় সংকট। তবে এবারে জাপান সরকারের উপহার দেওয়া এ টিকার মাধ্যমে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় থাকাদের সংশয় কেটে যাবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।