নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশালে বিএমপি ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় কাশীপুর এলাকার রেন্ট এ কার ব্যাবসায়ী মাহাবুব সিকদার এর হারিয়ে যাওয়া ৪৬ হাজার ৫০২ টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র ফিরে পেয়েছেন।
বুধবার (২অক্টোবর)সকাল সাড়ে ১০ টায় নগরীর শেরে-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে ট্রাফিক পুলিশের এটি এসআই ইউসুফ এ টাকা উদ্ধার করেন।
বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)’র ডিসি ট্রাফিক খাইরুল আলম জানান,কাশীপুর এলাকার রেন্ট এ কার ব্যাবসায়ী মাহাবুব সিকদার সকাল ১০ টার দিকে নথুল্লাবাদ থেকে অটোরিক্সায় উঠে সি এন্ড বি ১ নং পোল নেমেযান।এ সময় তার হাতে থাকা টিস্যুর পলিতে মোড়ানো টাকাগুলো অটোরিক্সায় পড়েযায়।পরে অটোরিক্সাটি শেরে-ই- বাংলা মেডিকেলের সামনে থামলে টাকার মোচাটি যাত্রীদের পায়ে লেগে রাস্তায় পরলে এক পথচারী তা নিয়ে যাওয়ার চেস্টা করলে পাশে থাকা অপর এক চায়ের দোকানি দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

এ সময় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের এটি এস আই ইউসুফ পথচারীর হাত থেকে টাকার মোচাটি উদ্ধার করেন।এবং মোচার মধ্য একটি ক্যাশ মেমো থেকে টাকার মালিকের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে মালিককে টাকা উদ্ধার হওয়ার কথা জানিয়ে দেন। ডিসি ট্রাফিক খাইরুল আলম আরও জানান,উদ্ধার হওয়া ৪৬ হাজার ৫০২ টাকার সাথে বরিশাল পূবালী ব্যাংকের দুটি এটিএম কার্ড পাওয়াগেছে তাতে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ছিল।এছাড়াও দুটি ব্লাংক চেকের পাতা ও ১টি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া গেছে।
এদিকে টাকা উদ্ধার হওয়ার কথা জানতে পেরে দুপুর ১টায় বরিশাল কালীবাড়ী রোড বিএমপি ট্রাফিক অফিসে টাকার মালিক মাহাবুব সিকদার আসলে তার হাতে উদ্ধার হওয়া টাকা হস্তান্তর করেন ডিসি ট্রাফিক খাইরুল আলম।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন,টি আই রবিউল ইসলাম। টি আই আ: রহিম।টি আই শাহ আলম।এটি এস আই ইউসুফ প্রমুখ।
এ সময় রেন্ট এ কার ব্যাবসায়ী মাহাবুব সিকদার ট্রাফিক পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,মেডিকেলের সামনে থেকে অনেক পথচারী ও সাধারন যাত্রীদের টাকা পয়সা হারিয়ে যায়।যা পরবর্তীতে আর পাওয়া যায়না।আমি পুলিশের সহায়তায় আমার হারানো টাকা ফিরে পেয়েছি।এ জন্য আমি বিএপির ট্রাফিক পুলিশের কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবো।
এ বিষয়ে বরিশাল ডিসি ট্রাফিক খাইরুল আলম বলেন, পুলিশ যে সততা ও নিষ্ঠার সাথে তার দায়িত্ব পালন করছে এটাই তার প্রমান। আশাকরি এ ধরনের ঘটনায় পুলিশের উপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস বাড়বে।