শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১১:৪৩
শিরোনাম :
বরিশাল চরকাউয়ায় মসজিদ-মন্দিরের নানা অব্যবস্থাপনা, দ্রুত সমাধান জরুরী সিসা দূষণ প্রতিরোধে বিএম কলেজে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নেত্রকোনায় প্রকাশ্যে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপনের প্রতিবাদ বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান ছালেহের পিতার মৃত্যুতে রুহুল কবির রিজভীর গভীর শোক প্রকাশ জনপ্রশাসনের কাজে অসহযোগিতাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হতে হবে:বিসিসি প্রশাসক শিরীন বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন,সভাপতি:ফয়সাল,শিক্ষানুরাগী:মামুন-অর-রশিদ বিএম কলেজে সবুজ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

তিব্বতে লকডাউনবিরোধী বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক  চীনের তিব্বত অঞ্চলের রাজধানী লাসায় কোভিড-১৯ সংক্রমণের বিস্তার রোধে আরোপ করা কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিক্ষোভের কিছু ভিডিও অনলাইনে প্রকাশ পেয়েছে। ভিডিওগুলোতে শত শত মানুষকে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষও হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগই আদিবাসী হান চীনা। যারা অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে তিব্বতে কাজ করেন।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে গত প্রায় তিন মাস ধরে লাসায় কঠোর লকডাউন চলছে। চীনের যেসব অঞ্চলের ওপর সরকার কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জারি করে রেখেছে তিব্বত তার একটি। যে কারণে তিব্বতের ভেতরের খবর বাইরের বিশ্ব খুব একটা জানতে পারে না। বুধবার বিকালে বিক্ষোভ শুরু হয়। রাতেও তা অব্যাহত ছিল। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েক শ লোক সড়কে জড়ো হয়েছে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাদের একটি প্রান্তে আটকে দিয়েছে। লাউড স্পিকারে কর্মকর্তাদের একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘দয়া করে পরিস্থিতি উপলব্ধি করুন এবং ফিরে যান।’ আরেকটি ভিডিওতে রাতে সড়কে বেশ কয়েক জনকে দেখা যায়। সেখানে একজনকে মান্দারিন ভাষায় চিত্কার করে বলতে শোনা যায়, ‘তারা অনেক দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন দিয়ে রেখেছে।

এখানে অনেক মানুষ আছেন, যারা শুধু মাত্র কাজ করতে ও অর্থ উপার্জন করতে এই নগরীতে এসেছেন। যদি তারা চীনের মূলভূখণ্ডে সেটা করতে পারতেন, তবে এখানে আসতেন না।’ আরেকটি ভিডিওতে একটি ব্যানার নিয়ে লোকজনকে সড়কে মিছিল করতে দেখা যায়। সেখানে লেখা, ‘আমরা শুধু বাড়ি ফিরতে চাই।’ বিবিসি এসব ভিডিওর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। ভিডিওগুলো চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু সরানোর আগেই সেগুলো টুইটারে রি-পোস্ট করার কারণে সেখানে ভিডিও রয়ে গেছে।

তিব্বতের একটি পক্ষ রেডিও ফ্রি এশিয়ায় (আরএফএ) বলেছে, বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘যদি লকডাউন তুলে নেওয়া না হয়, তবে তারা ‘আগুন ধরিয়ে দেবেন’। এটা বলে তারা আসলে ঠিক কী বোঝাতে চাইছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরেকটি সূত্র থেকে বলা হয়, তারা আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ ও পুলিশের মধ্যে যে কোনো সময় সংঘাত শুরু হয়ে যেতে পারে। পুরো নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লাসার এক বাসিন্দা বলেন, সেখানে এখনো লকডাউন চলছে এবং তিনি স্বচক্ষে কোনো বিক্ষোভ দেখেননি। তবে চ্যাট গ্রুপগুলোতে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের নানা ভিডিও তিনিও দেখেছেন।

তিনি বলেন, ‘লোকজন প্রতিদিনই বাড়িতে বন্দি হয়ে আছেন এবং জীবন অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। লাসায় নিত্যপণ্যের দাম অনেক বেড়ে গেছে এবং বাড়ির মালিকরা ভাড়া আদায় করতে ভাড়াটিয়াদের চাপ দিচ্ছেন।