মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:৩২
শিরোনাম :
আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক ১ মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার পুলিশ আসার খবরে ভবনের ছাদ থেকে লাফ, ওয়ার্ড আ’লীগ নেতার মৃত্যু জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সভাপতি: মামুন-অর-রশিদ, সম্পাদক: আরিফুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক : রহমাতুল্লাহ অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল আজাদ কাশ্মির, নিহত ২৪ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে অটো রাইস মিল,অতিষ্ঠ এলাকাবাসী দলীয় নেতৃবৃন্দের সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই

আফগানিস্তানে নারীসহ ১৯ জনকে বেত্রাঘাত

অনলাইন ডেস্ক  উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে ১৯ জনকে বিভিন্ন অপরাধের জন্য বেত্রাঘাত করা হয়েছে। তালেবান-নিয়ন্ত্রিত সুপ্রিম কোর্টের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর আফগানিস্তানে ক্ষমতা নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো কঠোর শরিয়া আইন জারি করে তালেবান। আফগানিস্তান সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মৌলভি এনায়াতুল্লাহ জানান, শরিয়া আইন অনুযায়ী কঠোর তদন্তের পর ১৯ জনের প্রত্যেককে ৩৯টি করে বেত্রাঘাত করা হয়। এই ১৯ জনের মধ্যে ৯ জন নারী রয়েছেন।

তবে কী ধরনের অপরাধের শাস্তি হিসেবে তাঁদের এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। মৌলভি এনায়াতুল্লাহ জানিয়েছেন, প্রাদেশিক আদালতের নির্দেশে ১১ নভেম্বর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তাখার প্রদেশে জুমার নামাজের পর তাদের এই সাজা দেওয়া হয়।

গত বছর ক্ষমতায় আসার পর তালেবানরা প্রথমবারের মতো শরিয়া আইন জারি করে। তবে দেশব্যাপী এ ধরনের শাস্তি কার্যকর হবে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়।

আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তালেবানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা এই মাসে বিচারকদের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন এবং বলেছেন, শরিয়া আইন অনুসারে শাস্তি প্রয়োগ করা উচিত।

তালেবান শাসকরা গত বছরের আগস্টে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আরোহণ করে। তখন থেকে পশ্চিমা দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো নারী অধিকারের প্রতি তালেবানের দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করছে।

এখন পর্যন্ত কোনো বিদেশি দেশ তালেবান প্রশাসনকে স্বীকৃতি দেয়নি। এর আগে, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত তাদের শাসনামলে তালেবানরা প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত ও পাথর ছুঁড়ে অনেক অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। পরবর্তীতে আফগানিস্তানে পশ্চিমা সমর্থিত সরকারগুলো ক্ষমতায় এলে এ ধরনের শাস্তি বিরল হয়ে পড়ে।