মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:৪৪
শিরোনাম :
রুপাতলীতে বদরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিজান সুইট মিটের উদ্বোধন দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট

শেখ হাসিনাকে যতদিন ইচ্ছে, ততদিন ভারতে থাকার অনুমতি দেওয়া উচিত : কংগ্রেস নেতা

অনলাইন ডেস্ক ।। ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং কংগ্রেস নেতা মণি শঙ্কর আয়ার বলেছেন, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যতদিন ইচ্ছে, ততদিন ভারতে থাকার অনুমতি দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন ধরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ছিলেন এবং তার নিরাপত্তার জন্য ভারত সরকারকে সহানুভূতির সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদসংস্থা পিটিআই।

ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি গত মাসে ঢাকা সফর করে সেখানকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, এটি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মণি শঙ্কর আয়ার।

তিনি পিটিআইকে জানান, এই আলোচনা অব্যাহত থাকা উচিত এবং ভারতকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে মন্ত্রিসভার স্তরে যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি নিয়ে আয়ার বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমরা সবাই একমত হব যে—শেখ হাসিনা আমাদের জন্য অনেক ভালো কাজ করেছেন। আমি খুশি যে তাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। যত দিন তিনি থাকতে চান, এমনকি তার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত, আমাদের তাকে অতিথি হিসেবে রাখা উচিত।’

৭৭ বছর বয়সি শেখ হাসিনা গণ আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট ভারত পালিয়ে এলে তার ১৬ বছরের শাসনের পতন ঘটে। তখন থেকেই ভারতে বসবাস করছেন হাসিনা।

আইয়ার মনে করেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা সত্যি, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা শেখ হাসিনার সমর্থকদের ওপর রাজনৈতিক হামলা।

সাবেক কংগ্রেস নেতার এই বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের দাবি তুলে ভারতের সংবাদমাধ্যমে ভিন্নভাবে প্রচার হচ্ছে।

কংগ্রেসের এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা সত্য হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এগুলো রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে সৃষ্ট।’