শুক্রবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ১২:২৫
শিরোনাম :
সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ স্নাতক পর্যন্ত নারীশিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর বন্ধ বিটিএমএ’র কমিটি গঠন :সভাপতি হুমায়ুন,সম্পাদক শাহিন, অর্থ সম্পাদক: মামুন বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ : সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নিবেদিত যাত্রা স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উত্ত্যক্ত করায় ৪ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আটক বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয়

জাতীয় চার নেতা হত্যাকান্ডের চক্রান্তকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠনের দাবি

রাবি প্রতিনিধি:বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যাকান্ডের চক্রান্তকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন ১৪ দলের সমন্বয়ক ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার হয়েছে। কিন্তু হত্যার পেছনে যারা ছিলো সেসব চক্রান্তকারীদের বিচার হয়নি। আইনমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো, একটি কমিশন গঠন করে সেসব চক্রান্তকারীদের খুঁজে বের করুন। সেসব চক্রান্তকারীদের মুখোশ উন্মোচন করুন। তাহলে জাতি বঙ্গবন্ধু ও চার নেতা হত্যার চক্রান্ত জানতে পারবে।

জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর পুত্র নাসিম আরো বলেন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অনেকেই বন্দি ছিল। আওয়ামী লীগের অনেক বড় বড় নেতা ছিল। কিন্তু খুনিরা গুনে গুনে চার জনকে হত্যা করেছে। একটা বুলেটও তারা অপচয় করেনি। কারণ মোশতাক জানতো, এই চারজন মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কখনো বেঈমানী করবে না। এদেরকে হত্যা না করলে মোশতাকের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ গ্রহণ করবে।

এসময় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আমরা শহীদ পরিবারের জাতীয় চার নেতার সন্তান রাজনীতিতে আছি। একই ধারায় একই ¯্রােতে আছি। সেটির নাম আওয়ামী লীগ। যারা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালন করে।

আলোচনা সভায় উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন, মানুষের জন্ম আছে মৃত্যু আছে। কিন্তু আমরা এরকম মৃত্যু কখনো দেখিনি, যে মৃত্যু কোন ব্যক্তির ক্ষতি না, সামান্য ক্ষতি না, যে মৃত্যুতে দেশের ক্ষতি, দেশের জনগণের ক্ষতি, সমগ্র জাতির ক্ষতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তাঁরা চার সহযোগী ছিলেন।

প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সভাপতি অধ্যাপক এম মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা, অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম মোস্তাফিজুর আল-আরিফ। অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু, চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।