শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৫:৪১
শিরোনাম :
বিএম কলেজে আপত্তিকর অবস্থায় বহিরাগত তরুণ তরুণী আটক বিএম কলেজের ছাত্রীনিবাসে চোর আতঙ্ক, নিরাপত্তাহীনতায় শিক্ষার্থীরা নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের নিন্দা দেশে কেউ সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু নয়, সব নাগরিকের পরিচয় বাংলাদেশি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ১৫ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ বরিশাল চরকাউয়ায় মসজিদ-মন্দিরের নানা অব্যবস্থাপনা, দ্রুত সমাধান জরুরী সিসা দূষণ প্রতিরোধে বিএম কলেজে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নেত্রকোনায় প্রকাশ্যে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপনের প্রতিবাদ

ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ডেস্ক রিপোর্ট ।। শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং এর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান।

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তারা। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

এর পর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর শ্রদ্ধা জানান বিএনপির নেতারা। পরিবারের সদস্যদের নিয়েও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান।

এরপর শ্রদ্ধা জানান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খান।

তিন বাহিনীর প্রধানের পর শ্রদ্ধা জানান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াত ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ জামায়াত জোট থেকে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা।

এরপর শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা। তাদের পরে বেদীতে ওঠেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্য কমিশনার।

এদিকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে পুরো শহীদ মিনার এলাকা।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মিছিলে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর নির্দেশে পুলিশের গুলি চালায় পুলিশ। প্রাণ হারান সালাম, রফিক, বরকত, শফিউরসহ নাম না জানা অনেকে। এরপর বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয় তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।