শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ১১:৫৫
শিরোনাম :
হাফপ্যান্ট আর হুডি পরে নেতানিয়াহুর সাথে মার্কিন সিনেটরের বৈঠক চরামদ্দিতে পেনশনের টাকায় গড়া স্বপ্নে আঘাতঃ বিষ প্রয়োগে তিন পুকুরের মাছ নিধন মুসলিম নিকাহ্ রেজিস্ট্রার কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে বরিশালের নবাগত জেলা রেজিস্ট্রারকে কে ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব! জালীলুল কুরআন মাদ্রাসায় হাফেজদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট বিতরণ যুবলীগ নেতা,নতুন পরিচয়ে ভিন্ন কায়দায় চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: তথ্যমন্ত্রী আগস্টের মধ্যেই বাস্তবায়িত হচ্ছে নতুন পে-স্কেল হুথিরা কোথা থেকে হামলা চালাচ্ছে খুঁজে পাচ্ছে না সৌদি আরব

জবির বাংলাবিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদানের শুভসূচনা

মিজানুর রহমান, জবি প্রতিনিধি  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ( জবি) বাংলা বিভাগ থেকে প্রথমবারের মতো পি.এইচ.ডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক- ড. মিল্টন বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে এ পি.এইচ.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন মিজানুর রহমান মোল্লা। তার এ পিএইচ.ডি ডিগ্রি অর্জনের মধ্য দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচ.ডি ডিগ্রি প্রদানের শুভসূচনা হলো।

গত বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮১তম সিন্ডিকেট সভায় তাঁর পিএইচ.ডি ডিগ্রি অনুমোদন দেওয়া হয়।মিজানুর রহমানের গবেষণা কর্মের শিরোনাম ছিল “কাজী মোতাহার হোসেনের সমাজ সংস্কৃতি ও জীবন ভাবনা”। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.ফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর বাঁশগ্রাম আলাউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন নিয়ে মিজানুর রহমান বলে, আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। বিশেষ করে বাংলাবিভাগের অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাসকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, স্যারের বন্ধুসুলভ আচরন এবং সার্বিক সহযোগিতা আমায় মুগ্ধ করেছে৷ তিনি আমায় সর্বদা অনুপ্রেরণা এবং কাজ করতে সহযোগিতা করেছে। এসময় তিনি পিএইচডি অর্জনে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করার জন্য পরামর্শ দেন।

এদিকে একই সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে বাংলা বিভাগ থেকে এনামুল হক ও বলাই চন্দ্র দত্তের এম.ফিল ডিগ্রি অনুমোদিত হয়।

গবেষক বলাই চন্দ্র দত্তের এম.ফিল অভিসন্দর্ভ ছিল “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পে ট্রাজেডি ও ঔপনিবেশিক বাস্তবতা” এবং এনামুল হকের এম.ফিল অভিসন্দর্ভ ছিল “বুদ্ধবেদ বসু ও সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যের তুলনামূলক আলোচনা।”