বৃহস্পতিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:১২
শিরোনাম :
বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ২৫৪ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ জীবন থেকে ১৭ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী

তজুমদ্দিনে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম

আরিফ হোসেন,তজুমদ্দিন  স্থানীয় বিচার ব্যবস্থা শক্তিশালী করণ ও তৃনমূল পর্যায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সকল শ্রেণির মানুষকে এ ব্যাপারে সচেতন করে হয়রানি আর আর্থিক ক্ষতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে দেশে প্রথম বারেরমতো স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ২০০৬ সালে গ্রাম আদালত আইন পাশ করার মাধ্যমে গ্রাম আদালত কার্যকর করতে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার ২নং সোনাপুর ইউনিয়নে ২০১৯ সালে গ্রাম আদালত মামলা নিষ্পত্তিতে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে।

পারিবারিক ছোট খাটো সমস্যায় এ আদালতে দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা গ্রহণ করা হয়।প্রতি সপ্তাহের সোমবার একদিন মাসে ৪দিন এই ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করেন সোনাপুর ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ কামালউদ্দিন মিন্টু। গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলার ফি ১০ টাকা ও দেওয়ানী মামলার ফি নেয়া হয় ২০ টাকা। অল্প খরচে, স্বল্প সময়ে সর্বোচ্চ ৭৫০০০ (পচাত্তর হাজার) টাকা পর্যন্ত গ্রাম আদালত ফৌজদারী ও দেওয়ানী বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারেন।

২০১৯ সালে সোনাপুর ইউনিয়নে স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য মোট ৭৬টি দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা গ্রহণ করে ৭৩ টির বিরোধ নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হন। এসব মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে ২ লক্ষ ১৬ হাজার ৯শত ২৩ টাকা ও জমি উদ্ধার করা হয় ১৮ শতাংশ যার বাজার মূল্য ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার সমান প্রায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাপুন ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন মিন্টু বলেন, দিন দিন সাধারণ মানুষের আমাদের গ্রাম আদালতের প্রতি আস্থা বাড়ছে। কারণ এ অভিযোগ যদি জেলা আদালতে করা হতো তাহলে আইজীবি চার্জ, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খরচ লাগতো। কিন্তু এখানে অল্প খরচে, স্বল্প সময়ে সঠিক বিচার পেয়ে থাকেন।