বৃহস্পতিবার, ৪ঠা নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৪:১৯
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

বিশ্বব্যাপী ২৫ লাখ মানুষ চাকরি হারানোর আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক  প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারন করায় বিশ্বব্যাপী ২৫ লাখ মানুষ চাকরি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে বিশ্ব শ্রম সংস্থা। এই মহামারির ওপরে চালানো সংস্থাটির প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, এর প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী এবং কয়েক লাখ বেকার অথবা নিজের যোগ্যতার তুলনায় নিচু পদে চাকরি পাবেন। তবে যদি সমন্বিত ও নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া যায়, এর প্রভাব অনেক কমিয়ে আনা যাবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জেনেভা থেকে ওই গবেষণার ওপরিএকটি প্রতিবেদন করে আইএলও নিউজ। এতে বলা হয়, ২০০৮-০৯ সালে বৈশ্বিক আর্থিক সমস্যার সময়ে যেভাবে সব দেশ সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করেছিল আশা করা যায়, এবারও এ ধরনের পদক্ষেপ এর প্রভাবের ব্যপ্তি কমিয়ে দেবে।

গবেষণায় বলা হয়, কর্মসুযোগ নষ্ট হওয়ার কারণে ২০২০ সালের শেষ নাগাদ সারাবিশ্বে কর্মচারীদের সর্বনিম্ন ৮৬ হাজার কোটি ডলার আয় কম হতে পারে।

আইএলও’র মতে, তিনভাবে কর্মক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া যেতে পারে এবং সেগুলো হচ্ছে কর্মরতদের সুরক্ষা দেওয়া, অর্থনীতিকে উজ্জীবিত করা এবং নতুন কর্ম ও আয় বৃদ্ধি করতে সহায়তা করা।

সহায়তার মধ্যে আইএলও প্রস্তাব করেছে সামাজিক সুরক্ষা, কর্মচারীদের সম্ভব হলে ছাঁটাই না করা (যেমন, কম কর্মঘণ্টা পরিশ্রম, ছুটিতে পাঠানো বা অন্য কোনও ব্যবস্থা), ছোট ও মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠানকে কর অব্যাহতি দেওয়া ইত্যাদি। এছাড়া ফিজিক্যাল ও মনিটারি নীতি এবং কয়েকটি বিশেষ খাতে ঋণ ও আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে আইএলও।