রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৩:৫৮
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

নিউইয়র্কে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে করোনা

অনলাইন ডেস্ক  নিউইয়র্কে বিরাট গণকবরে এক সঙ্গে বহু মানুষকে কবর দেয়া হচ্ছে বলে দেখা যাচ্ছে ড্রোন দিয়ে তোলা ছবি এবং ভিডিওতে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের মহামারি সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে নিউইয়র্কে। সেখানে প্রতিদিন মারা যাচ্ছে শত শত মানুষ।

মুখ থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত ঢাকা ‌‘হ্যাজমাট’ স্যুট পরা কর্মীদের কাজ করতে দেখা যাচ্ছে বিরাট এক গণকবরে। তারা মই দিয়ে সেই কবরে নামছে, একটার পর একটা কফিন সেখানে রাখছে।

এই কবরস্থানটি হচ্ছে নিউ ইয়র্কের হার্ট আইল্যাণ্ডে। সাধারণত যেসব মৃত ব্যক্তির কোন আত্মীয়-স্বজনের খোঁজ পাওয়া যায় না বা যাদের শেষকৃত্যানুষ্ঠানের খরচ দেয়ার সাধ্য নেই, তাদেরকেই এখানে কবর দেয়া হয়।

নিউইয়র্কের করোনাভাইরাস মহামারি এখন ভয়ংকর চেহারা নিয়েছে। বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই একটি রাজ্যের আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাই অন্য যে কোন দেশের চেয়ে বেশি।

শুক্রবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ৫শ ১২ জন। মারা গেছে ৯ হাজার ৮ জন। অন্যদিকে স্পেনে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৭ এবং ইতালিতে ১ লাখ ৪৭ হাজার। আর চীনে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৮২ হাজার। আর পুরো যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৪ লাখ ৮৯ হাজার। মৃত্যু ঘটেছে ১৮ হাজার ১৬ জন মানুষের।

নিউইয়র্কের হার্ট আইল্যান্ড গত দেড়শ বছর ধরেই গণকবরের জন্য ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে যেসব মৃত ব্যক্তির কোন স্বজন খুঁজে পাওয়া যায় না বা যাদের পরিবার শেষকৃত্যানুষ্ঠানের খরচ জোগাতে পারে না, তাদের শেষ ঠিকানা এই হার্ট আইল্যান্ড।

ড্রোনে তোলা ছবিতে যেসব কফিন দেখা যাচ্ছে, তার বেশিরভাগই করোনাভাইরাসে মারা যাওয়া মানুষের, এমন সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। করোনাভাইরাসের মহামারি শুরু হওয়ার পর এই জায়গায় কবর খোঁড়ার কাজ বেড়ে গেছে। আগে যেখানে কবর খনন করা হতো সপ্তাহে একদিন, এখন সপ্তাহে পাঁচদিন খনন কাজ চলছে।

সাধারণত রিকার্স আইল্যান্ডের কারবন্দীদের দিয়ে কবর খোঁড়ানো হয়। কিন্তু এখন যেহেতু অনেক বেশি কবর খুঁড়তে হচ্ছে, তাই এই কাজ দেয়া হয়েছে ঠিকাদারদের।

নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডে ব্ল্যাসিও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে সংকট কেটে না যাওয়া পর্যন্ত হয়তো অনেককে ‌‘অস্থায়ী কবরে‌’ সমাহিত করতে হতে পারে। তিনি বলেন, ‍ঐতিহাসিকভাবে আমরা হার্ট আইল্যান্ডকেই এই কাজে ব্যবহার করেছি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ডঃ ফউসি এনবিসি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, কোভিড-নাইনটিনে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর সংখ্যা ৬০ হাজারের মতো দাঁড়াবে বলে মনে করছেন তারা।

গত মার্চে তারা অবশ্য এক লাখ হতে দুই লাখ মানুষ মারা যেতে পারে বলে আশংকা করেছিলেন।

সূত্র: বিবিসি