শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১১:২৭
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

আইসোলেশনে থাকা বাবাকে কোলে নেয়ার জন্য ডাকছেন শিশু কন্যা ইবতিদা

ডেক্সরিপোর্ট  মহামারী করোনা পজিটিভ হওয়ায় পরিবারকে রক্ষায় আলাদা কক্ষে আইসোলেশনে থাকছেন পুলিশ কর্মকর্তা বাবা। আর তাই হঠাৎ বাবার আচরণে পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছে সাড়ে তিন বছরের শিশুকন্যা আলীশাবা রহমান ইবতিদা।

কী কারণে কাছে আসছে না তার বাবা, কেনই বা কোলে নিয়ে আদর করছে না? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আইসোলেশনে থাকা বাবাকে জানালা থেকে বারবার ডাকছেন কন্যা ইবতিদা। তবে রুমের মধ্যে ঢুকতে এবং বাবার কাছে যেতে না পেরে ধৈর্যহারা হয়ে পড়েছেন পুলিশ কর্মকর্তার শিশু কন্যা।

জানালা থেকে বাবাকে ডাকছেন আর কোলে নেয়ার জন্য আকুতি করছেন এই ছোট্র শিশু। বাবাকে দেখে বলছে ‘বাবা কোলে নাও’। তবে বাবার সন্তোষজনক উত্তর না পেয়ে অতিষ্ঠ সেও। সুযোগ পেলেই বাবার কক্ষের জানালাতে উঁকি মারছেন শিশু ইবতিদা। এমনই এক দৃশ্যের ভিডিও দেখা গেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ফেসবুক পেজে।

জানা গেছে, ৩১ মে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুর রহমান মুকুলের করোনা পজিটিভ আসে। দায়িত্বরত অবস্থায় তিনি করোনা আক্রান্ত হন এবং রিপোর্ট আসার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি নিজ ঘরে আইসোলশনে চলে যান। সেই থেকেই তিনিও মেয়েকে কোলে নিতে পারছেন না।

পারছেন না আদর করতে। সেই কষ্ট চাপা রেখেও মেয়েকে অনবরত স্বান্তনা দিয়ে যাচ্ছেন করোনা যোদ্ধা এই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে কবে নাগাদ স্বাভাবিক অবস্থায় তিনি ফিরতে পারবেন তাও নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কেউ।

আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, করোনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকে সমাজ ও পরিবারের স্বার্থে নিজেকে আলাদা রাখছি। কিন্তু সাড়ে তিন বছরের মেয়েকে তা বোঝাতে পারছি না। অবশ্য তা বোঝানো সম্ভবও না।

সে বুকের ওপর শুয়ে থাকতে চায়, কাছে আসতে চায়। এই বয়সে সে কখনও আমার বুকের ওপর ছাড়া শুয়ে থাকেনি। তাই এ আবদারটাই বেশি। কেন অফিসে যাচ্ছি না, তাও জিজ্ঞাসা করছে আমার মেয়ে।