বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১১:১২
শিরোনাম :
বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব

করোনায় আরও দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

ডেক্সরিপোর্ট  মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে গিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের আরও দুই সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন- সাব ইন্সপেক্টর এস এম মুকুল মিয়া (৫৫) ও কনস্টেবল মো. আবুল হোসেন আজাদ (৫১)।

সোমবার (১৫ জুন) মারা যাওয়া পুলিশের উভয়ই সদস্যই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত ছিলেন।

জনগণকে সুরক্ষা দিতে গিয়ে এ নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত একজন সিভিল সদস্য ও একজন র‌্যাব সদস্যসহ মোট ২৭ জন সদস্য করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) (মিডিয়া) মো. সোহেল রানা।

তিনি বলেন, সাব ইন্সপেক্টর এস এম মুকুল মিয়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের খিলগাঁও থানায় কর্মরত ছিলেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনি পুলিশের ভাড়া করা রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল ১১টায় মারা যান।

অন্যদিকে, কনস্টেবল মো. আবুল হোসেন আজাদ করোনাক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোর ৪টা ১২ মিনিটে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তরা বিভাগের আজমপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।

সাব ইন্সপেক্টর এস. এম. মুকুল মিয়ার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া থানার চরকুলী গ্রামে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন কন্যা ও এক পুত্রসহ আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

কনস্টেবল মো. আবুল হোসেন আজাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার মদন থানাধীন জয়পাশা গ্রামে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যাসহ অনেক আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব রেখে গেছেন।