সোমবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ২:২৫
শিরোনাম :
বিএমপি’র বন্দর থানায় মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে

লাদাখে সেনা মোতায়েন আরো বাড়িয়েছে চীন

অনলাইন ডেস্ক  লাদাখ সীমান্তে চীন-ভারত উত্তেজনা দিন দিন শুধু বাড়ছেই। সব রকম খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত দুই দেশ। সীমান্তে পৌঁছে গেছে ভারতের ৪৫ হাজার সেনা, টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাঙ্ক, জমি থেকে আকাশমুখী ক্ষেপণাস্ত্র। বসেছে এয়ার সার্ভেল্যান্স সিস্টেম।

এরই মধ্যে উপগ্রহচিত্রে গালওয়ান উপত্যকায় নতুন করে চীনের আরও ১৬টি সেনা ছাউনির ছবি ধরা পড়েছে। তাতেই চিন্তার মাত্রা আরো বেড়ে গিয়েছে ভারতের।

গত ২২ জুনের উপগ্রহচিত্রে গালওয়ানে চীনের তৈরি পাকা পরিকাঠামোর হদিস মিলেছিল। এবার ২৫ ও ২৬ জুনের ছবিতে আরও ১৬টি কালো ত্রিপলে ঢাকা সেনাছাউনি দেখা যাচ্ছে, যা আগের ছবিতে ছিল না। অর্থাৎ চীন সেনা মোতায়েন আরো বাড়িয়েছে।

ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের প্রশ্ন চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ১৮ কিলোমিটার এলাকা দখল করেছে, তাদের ফেরত পাঠানোর কোনও উপায় কি আদৌ রয়েছে? সেটা না থাকলে সেনা-প্রস্তুতি দিয়ে অতি-জাতীয়তাবাদী দেখানোর অর্থ কী?

দেশটির বিরোধীদের মতে, ভারত এখন যে সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে তার মূল লক্ষ্য চীন যাতে নতুন করে আর জমি দখল করতে না পারে। ফিঙ্গার চার থেকে আট এবং গালওয়ান উপত্যকার মতো এলাকা যাতে হাতছাড়া না হয়। কিন্তু গালওয়ানে দখল হওয়া কয়েকশো বর্গ কিলোমিটার জমির কী হবে?

কূটনৈতিক স্তরে নানা ভাবে চীনকে ফিরে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু এত সহজে যে তা হবে না ঘরোয়াভাবে স্বীকার করছেন ভারতের সরকারি কর্তারাই। দু’দিন আগে চীনের সঙ্গে যুগ্মসচিব স্তরে বৈঠকের পরে ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়, এই প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি, দ্রুত মেটার নয়।

দু’টি বৃহৎ পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ কার্যত অসম্ভব। সেটা এমনকি চীনেরও লক্ষ্য নয়। চীনের লক্ষ্য, দৌলত বেগ ওল্ডি সড়কের বাকি থাকা ১৮ কিলোমিটার রাস্তা যাতে শেষ না করেই ফিরে যায় ভারত। কারণ ওই সড়কের সুবাদে কারাকোরাম পাস আর অন্য দিকে আকসাই চীন ভারতীয় সেনার নাগালে আসুক, তা চায় না বেইজিং। ভারতের উপর সেই চাপ বাড়াতেই গালওয়ান উপত্যকা আঁকড়ে পড়ে থাকার নীতি নিয়েছে চীন। জট কাটাতে দীর্ঘমেয়াদি আলোচনা ছাড়া বিকল্প নেই বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা