রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:৩৯
শিরোনাম :
বিএমপি’র বন্দর থানায় মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে

ইয়েমেনে সৌদি জোট বাহিনীর কমান্ডার বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক  দুর্নীতির দায়ে ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর কমান্ডার প্রিন্স ফাহাদ বিন তুর্কি বিন আবদুল আজিজকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ জানায়, আল-জওফ অঞ্চলের উপকমান্ডারের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন ফাহাদ বিন তুর্কি। তাকে তার কর্তব্য থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে চার সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে রাজপরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এ সংক্রান্ত একটি ডিক্রি জারি করেছেন।

দুর্নীতি দমন সংস্থায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের একটি চিঠির পর এমন সিদ্ধান্ত এসেছে। এতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে সন্দেহজনক লেনদেন দিয়ে একটি তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সব সামরিক ও বেসামরিক লোকজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও দমন কমিশন। এরপর তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল আজিজ আল-সৌদের নাতি প্রিন্স ফাহাদ। ২০১৮ সাল থেকে ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

২০১৫ সালে হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা দখলে নিলে রিয়াদ একটি সামরিক জোট গঠন করে।

২০১৭ সালে পূর্বসূরিকে ক্ষমতাচ্যুত করে সিংহাসনের উত্তরসূরি হওয়ার পর একটি দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করেন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

এরপর রাজপরিবারের বহু সদস্য, মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীকে রিয়াদের রিটজ-কার্লটন হোটেলে আটক করে রাখেন তিনি। পরবর্তীতে গোপন চুক্তির পর অনেককে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।