শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:১৬
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

পদ্মা সেতুর ৫২৫০ মিটার দৃশ্যমান, বসলো৩৫তম স্প্যান

ডেক্সরিপোর্ট  মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের উপর ৩৫তম স্প্যান যোগ করার মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো ৫ হাজার ২৫০মিটার পদ্মা সেতু।

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) মাঝ নদীতে এই স্প্যানটি বসানো হয়। সব পিলার ও স্প্যান প্রস্তুত থাকায় এখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্প্যান যোগ করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক। ডিসেম্বরের মধ্যে ৬ দশমিক এক পাঁচ কিলোমিটারের পুরো সেতু দাঁড়ানোর আশা।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হয় স্প্যানগুলো। এতে দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর পাঁচ হাজার ২৫০মিটার অংশ।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী ২০২১ সালেই খুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

মোট ৪২টি পিয়ারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। সবকটি পিয়ার এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) এবং নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড।