রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:০২
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

দলের কর্মী-সমর্থকদের ওপর ক্ষেপলেন ট্রাম্পের ২ ছেলে

অনলাইন ডেস্ক  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটের ফল নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে বাবার প্রতি রিপাবলিকানরা দৃঢ় সমর্থন দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই ছেলে। নির্বাচনের পর দিন টুইটে তারা রিপাবলিকানদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ট্রাম্পের বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র অভিযোগ করে বলেছেন, তাদের দল ‘দুর্বল’ হয়ে পড়ছে। রিপাবলিকান সমর্থকদের উদ্দেশে টুইটারে তিনি লিখেছেন– ‘ইচ্ছা ও লড়াই করার সক্ষমতা দেখানোর যথাযথ একটি প্ল্যাটফর্ম আছে তাদের। কিন্তু উল্টো দেখা যাচ্ছে, গণমাধ্যমের সামনে তারা মুষড়ে পড়ছে।’

‘হতাশ হবেন না। ডোনাল্ড ট্রাম্পই লড়াই করে যাবেন। বরাবরের মতো তারা কেবল দেখবেন!’

ট্রাম্পের আরেক ছেলে এরিক ট্রাম্প সমর্থকদের প্রতি উষ্মা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘কোথায় রিপাবলিকানরা! কিছুটা তো মেরুদণ্ড থাকা উচিত। এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে লড়ো। এই সময়ে ভেড়া হয়ে থাকলে আমাদের ভোটাররা আপনাদের কখনই ভুলবে না।’

নির্বাচনে জয়ের খুব কাছাকাছি চলে এসেছেন ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জো বাইডেন। এখন পর্যন্ত পাওয়া ৪৫ রাজ্যের ভোটে ইলেকটোরাল কলেজের মধ্যে ২৬৪টি গেছে তার ঘরে। প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৪টি ভোট। ২৭০-এর সেই ‘ম্যাজিক ফিগার’ থেকে আর মাত্র ছয়টি ইলেকটোরাল দূরে আছেন বাইডেন।

নিশ্চিত পরাজয় দেখে প্রলাপ বকছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। প্রয়োজনে সুপ্রিমকোর্টে যাবেন বলেও হুমকি দিয়ে রেখেছেন তিনি।

তার এ অবস্থান নিয়ে রিপাবলিকান পার্টির অনেকেই নাখোশ বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

জ্যেষ্ঠ রিপাবলিকানদের মধ্যে ইউটাহর সিনেটর মিট রমনি এবং মেরিল্যান্ডের গভর্নর ল্যারি হোগান প্রকাশ্যেই ট্রাম্পের সমালোচনা করেছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

রিপাবলিকান নেতাদের একটি বড় অংশ এখনও চুপ থাকায় ট্রাম্প সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভও বাড়ছে।

টুইটারে মাইক চেরনোভিচ নামে এক ট্রাম্প সমর্থক জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালির নীরবতার সমালোচনা করেন। তার পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্পের ছেলে ডোনাল্ড জুনিয়র ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়নের দিকে চোখ থাকা নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন।

‘রিপাবলিকান পার্টি থেকে ২০২৪ সালে প্রার্থী হতে পারেন এমন ব্যক্তির মধ্যে কার্যত সবারই কোনো ধরনের ভূমিকা না দেখাটা খু্বই চমৎকার।