শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:০৩
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

পাকিস্তানে ধর্ষণের শাস্তি রাসায়নিক প্রয়োগে খোজাকরণ

অনলাইন ডেস্ক  পাকিস্তানে ধর্ষণের শাস্তি রাসায়নিক প্রয়োগে খোজাকরণ আইন পাস করা হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির প্রেসিডেন্ট ড. আরিফ আলভি দ্রুত বিচারের জন্য ধর্ষণবিরোধী অধ্যাদেশ ২০২০ এর অনুমোদন দেন। নারী বা শিশুকে ধর্ষণে প্রমাণিত হলেই অভিযুক্তকে এ শাস্তি দেয়া হবে। এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন অনলাইন।

প্রেসিডেন্ট ভবনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, যৌন নির্যাতনে শিকার নারীদের জন্য সারা দেশে বিশেষ আদালত গঠন করা হবে; যাতে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যায়। বিশেষ আদালতকে চার মাসের মধ্যে বিচার কাজ শেষ করতে হবে।

এই আইনের অধীনে প্রধানমন্ত্রী ধর্ষণবিরোধী একটি সেল গঠন করবেন। যারা ছয় ঘণ্টার মধ্যে ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন।

এই অধ্যাদেশের আওতায় ভিকটিমের পরিচয় প্রকাশকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ বা সরকারি কোনো কর্মকর্তা এ মামলার তদন্তে অবহেলা করবেন তাদের তিন বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা বা পুলিশ মিথ্যা তথ্য দেন তাহলে তাদের একই শাস্তির আওতায় আনা হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পুনরায় অপরাধীদের বোর্ডের মাধ্যমে রাসায়নিক প্রয়োগে খোজাকরণ করা হবে।

এর আগে নভেম্বরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সভাপতিত্বে কেবিনট বৈঠকে ধর্ষণবিরোধী অধ্যাদেশ ২০২০ অনুমোদন দেয়া হয়।