রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৩:৫৮
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

সাম্প্রদায়িকতার দৈারাত্ম কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবেনা : প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী

পিরোজপুর প্রতিনিধি  মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রাণালয়ের মন্ত্রী এ্যাড. শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ নির্মাণ করতে এদেশে রাজাকারদের দৈারাত্ম, সাম্প্রদায়িকতার দৈারাত্ম কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবেনা। তাদের যেভাবে ধমন করতে হয়; সেভাবেই ধমন করা হবে। এদেশ মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান,বৈাদ্ধ সকলের দেশ। এটা মনে করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এজন্য বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। তখন রাজাকাররা পরাজিত হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতি সময়ে সেই একাত্তরের রাজাকারের প্রেতাত্মারা আবার মাথা ঝাড়া দিয়ে উঠছে। কিন্তু তা আর সম্ভব নয়। তাদের যেভাবেই হোক ধমন করা হবে।

শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে নেছারাবাদ উপজেলা অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দর সাথে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্ত্যব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর নাম শুনলেই সেই একাত্তরের পারজিত রাজাকারদের শরীর আঁতকে ওঠে। ওই রাজাকাররা মনে করেন, বঙ্গবন্ধু মানেই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। তাই বঙ্গবন্ধুর নাম নিচিহ্ন করতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙছে। তারা মনে হয় জানেনা বঙ্গবন্ধু মানেই যে বাংলাদেশ।

মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে দেশকে স্বাধীন করেছেন। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বদা সম্মান করতে হবে। সর্বত্র তাদের অধিকার অক্ষুন্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের এদেশে সর্বাধিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছেন। যা আর কোন সরকার করেনি।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। দেশের স্বাধীনতার জন্য যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন তাদের জন্য রাষ্ট্রিয় ভাতাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে এ সরকার। তাই তাদের বুঝতে হবে এবং বর্তমান প্রজন্মসহ আগামী প্রজন্মদেরও বুজাতে হবে আধুনিক উন্নত বাংলাদেশ মানেই শেখ হাসিনা সরকার।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরো বক্ত্যব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ হামিদ, সম্পাদক এসএম ফুয়াদ, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (নেছারাবাদ সার্কেল) রিয়াজ হোসেন (পিপিএম) প্রমুখ।