রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৩:৩৩
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

২ কোটি কৃষকের স্বাক্ষর নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে রাহুল গান্ধী

অনলাইন ডেস্ক  বিতর্কিত কৃষি আইন নিয়ে আন্দোলনরত কৃষকদের সমর্থনে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

বৃহস্পতিবার দেশটির রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে প্রায় দুই কোটি মানুষের স্বাক্ষরসহ স্মারকলিপি জমা দেন তিনি। এ সময় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কৃষি বিল নিয়ে সংসদে যৌথ অধিবেশন ডাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগে নয়াদিল্লিতে দলীয় সদর দফতরে জড়ো হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতাকর্মীরা।

সকাল ১০টা ৪৫-এর দিকে বিজয় চক থেকে কংগ্রেসের সংসদ সদস্যদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেয়ার কথা ছিল রাহুল গান্ধীর। কিন্তু এতে বাধা দিয়ে প্রিয়াংকা গান্ধীসহ আরও কয়েকজন কংগ্রেস নেতাকে হেফাজতে নিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

পরে দুই কোটি কৃষকের স্বাক্ষর নিয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করে কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল।

ওই দলে রাহুল গান্ধী ছাড়াও ছিলেন গুলাম নবি আজাদ, অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তারা কৃষকদের স্বার্থে এই আইন প্রত্যাহার করতে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

পাশাপাশি সংসদে যৌথ অধিবেশন ডাকারও আহ্বান জানিয়েছে কংগ্রেস।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর সরকারের সমালোচনা করে রাহুল গান্ধী বলেন, এটা সবার জানা উচিত– দেশের প্রধানমন্ত্রী আদতে কিছুই জানেন না। তিনি চূড়ান্ত অযোগ্য। তিন-চারজন শিল্পপতির স্বার্থরক্ষা করতে দেশ চালাচ্ছেন। কৃষক, শ্রমজীবীদের প্রতি তার কোনো সমবেদনা নেই।

প্রসঙ্গত, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দেশটির কৃষকরা টানা আন্দোলন করে আসছেন।

গত ২৬ নভেম্বর থেকে আন্দোলনরত কৃষকরা দিল্লি সীমান্তে অবস্থান করছেন।