শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৮:৫৪
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

চাল আমদানিতে শুল্কহার কমেছে ২৫ শতাংশ

ডেক্সরিপোর্ট  চাল আমদানিতে শুল্কহার অর্ধেকের চেয়েও বেশি কমানো হয়েছে। এতদিন আমদানিতে ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হলেও এখন দিতে হবে ২৫ শতাংশ।

সেক্ষেত্রে শুল্কহার কমছে ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ। পাশাপাশি নতুন শুল্কহারে চাল আমদানি করতে আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারবেন আমদানিকারকরা।

চালের বাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এ তথ্য জানান। এ সময় খাদ্য সচিব মোসাম্মৎ নাজমানারা খানুম উপস্থিত ছিলেন। দাম না বাড়ালে চাল না দেয়ার বিষয়ে মিলারদেও হুমকি প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার কারও হুমকিতে মাথা নত করে না।

মিলারদের চুক্তির জন্য পীড়াপীড়ি করিনি আমরা। তারা তাদের হুমকি নিয়ে থাকুক। প্রয়োজন আমরা কৃষকের কাছ থেকে ধান বেশি করে কিনব। দরকার হলে ১৫ থেকে ২০ লাখ টন চাল কিনব।

তিনি বলেন, বেসরকারিভাবে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা শুরু হয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য মণপ্রতি ১ হাজার ৪০ টাকা। আজও বাইরে ১ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে ধান বিক্রি হচ্ছে। ধানের দাম কমলে আমরা কৃষকের জন্য হাহাকার করি। আবার চালের দাম বাড়লেও হাহাকার করি।

সংবাদ সম্মেলনে খাদ্য সচিব বলেন, আমরা বেসরকারিভাবে ২৫ শতাংশ শুল্কে চাল আমদানির যে অনুমতি দিয়েছি। তা থেকে কে কতটুকু আমদানি করতে পারবে, সেটা নির্ধারণ করে দেয়া হবে। কিন্তু বেশি আমদানি করা যাবে না। তাতে আবার কৃষক বঞ্চিত হবে।

প্রসঙ্গত, চালের দ্বিতীয় প্রধান মৌসুম আমনের ধান উঠলেও চালের দাম কমেনি, বরং বেড়েছে। চালের সরবরাহ বাড়িয়ে দাম কমানোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বুধবার ভারতের সঙ্গে দেড় লাখ টন চাল আমদানির চুক্তি করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ভারতীয় চালের দাম পড়বে প্রতি কেজি ৩৩ থেকে ৩৫ টাকা।

এদিকে রোববার পর্যন্ত রাজধানীর বাজারে সব ধরনের চাল চড়া দামে বিক্রি অব্যাহত ছিল। এতে সব শ্রেণির মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে। রাজধানীর খুচরা বাজারে এ দিন প্রতি কেজি মিনিকেট ও নাজিরশাইল বিক্রি হয়েছে ৬২ থেকে সর্বোচ্চ ৬৭ টাকা। বিআর ২৮ চাল বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা। মোটা চালের মধ্যে স্বর্ণা জাতের চাল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৮-৫১ টাকা।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজারদরের তালিকা অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এখন প্রতি কেজি মোটা চালের দাম প্রায় ৪৮ শতাংশ, মাঝারি ২৩ শতাংশ ও সরু চালের দাম ১৭ শতাংশ বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।