রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ২:৩৪
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

কারাগারে নারীর সঙ্গে বন্দির সময় কাটানোর ঘটনায় জড়িতরা শাস্তি পাবে

ডেক্সরিপোর্ট  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, কারাগারে নারীর সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত বন্দির সময় কাটানোর ঘটনায় জড়িতরা বিধি অনুযায়ী শাস্তি পাবে। শনিবার একটি জাতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন।

এদিকে, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুন।

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে হলমার্ক কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা হলমার্কের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমদের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ সাক্ষাতের ঘটনা ঘটেছে। ৬ জানুয়ারি কারাগারের সিসি ক্যামেরায় এ চিত্র ধরা পড়ে। সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে ঘটনাটি ধরা পড়ার পর কারা অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কারাগারের প্রবেশ পথে কর্মকর্তাদের কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় কালো রঙের জামা পরে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘোরাফেরা করছেন হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত হলমার্কের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) তুষার আহমেদ। এর পর তিনি ডেপুটি জেলারের কক্ষে আসেন। ডেপুটি জেলারের কক্ষ থেকে দুই কারা কর্মকর্তা কক্ষ থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর বেগুনি রঙের সালোয়ার কামিজ পরিহিত এক নারী ওই কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে তুষার ওই নারীকে জড়িয়ে ধরেন এবং সেই দৃশ্য ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়। ওই নারী তুষার আহমদের স্ত্রী বলে কারা সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ঘটনা তদন্তে গাজীপুর জেলা প্রশাসন ১২ জানুয়ারি তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। আর ২১ জানুয়ারি তিন সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন গঠিত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালাম। ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে ডেপুটি জেলার মোহাম্মদ সাকলাইন, সার্জেন্ট আব্দুল বারী ও প্রধান কারারক্ষী খলিলুর রহমানকে প্রত্যাহার করে কারা অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।