বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৫৯
শিরোনাম :
পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর পানি,নিম্নাঞ্চল প্লাবিত পটুয়াখালীতে হানি ট্র্যাপে ফেলে প্রতারণা, বিএনপি ও যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার ট্রাম্পকে লাল গালিচায় রাজকীয় অভ্যর্থনা দিল চীন শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল রাশিয়া দায়িত্বশীল নেতৃত্বে কাউনিয়া থানায় ইতিবাচক পরিবর্তন, ওসি সনজিতের ভুমিকা প্রশংসিত! অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়, বরং ভিন্নধর্মী সক্ষমতা: সমাজকল্যাণমন্ত্রী দুধ আনতে গেলে শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার হামে আক্রান্ত শিশুর পাশে দাঁড়ালেন জুবাইদা রহমান ২০০ টাকার জন্য কেড়ে নেওয়া হলো প্রাণ! শেবাচিমে অক্সিজেন খুলে নেয়ায় রোগীর মৃত্যু বিএনপি-যুবলীগ সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

কাসেম সোলাইমানির নামে ক্ষেপণাস্ত্রবাহী রণতরী চালু করছে ইরান

অনলাইন ডেস্ক  মার্কিন হামলায় নিহত লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানির নামে ক্ষেপণাস্ত্রবাহী রণতরী শিগগিরই উদ্বোধন করছে ইরান।

ফার্সি ১৪০০ সালে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে সক্ষম ওই রণতরী উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির নৌ শাখার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলীরেজা তাংসিরি। খবর তাসনিম নিউজের।

আগামী ২০ মার্চ ফার্সি ১৩৯৯ সালের সমাপ্তি হবে এবং রোববার থেকে ১৪০০ সাল শুরু হবে। আইআরজিসির নৌ শাখার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলীরেজা তাংসিরি টেলিভিশনের এক টকশোতে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, তার বাহিনী ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই রণতরী নির্মাণ করছে।

অ্যাডমিরাল তাংসিরি বলেন, রণতরীটি ৪৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম। এই রণতরী থেকে ‘ভূমি থেকে ভূমিতে’, ‘ভূমি থেকে আকাশে’ এবং ‘আকাশ থেকে ভূমিতে’ নিক্ষেপযোগ্য নানা ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা যাবে। এর ফলে ইরানের নৌবাহিনীর রণসক্ষমতা বহুগুণে বেড়ে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অ্যাডমিরাল তাংসিরি বলেন, ফার্সি ১৪০০ সালে এ ধরনের তিনটি জাহাজ আইআরজিসির নৌবাহিনীতে যুক্ত হবে। এগুলোর একটির নাম দেয়া হবে ‘আবু মাহদি আল-মুহান্দিস’।

২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ভোরে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইরানের কুদস ফোর্সের তৎকালীন কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে সন্ত্রাসী মার্কিন সেনারা।

ওই হামলায় কাসেম সোলাইমানির সঙ্গে ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাশদ আশ-শাবির উপপ্রধান আবু মাহদি আল-মুহান্দিসসহ ১০ জন নিহত হন।