শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:৪৫
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

জেল থেকে ছাড়া পেলেন গাদ্দাফিপুত্র সাদি

অনলাইন ডেস্ক  লিবিয়ার প্রয়াত একনায়ক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফিকে জেল থেকে ছেড়ে দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানায়।

রোববার একটি সূত্র বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানায়, ছাড়া পাওয়ার পরই তাৎক্ষণিকভাবে একটি ফ্লাইটে ৪৭ বছর বয়সি সাদি ইস্তান্বুলের উদ্দেশে রওনা হন।

২০১১ সালে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলার সময় সাদি গাদ্দাফি নাইজারে পালিয়ে যান। এরপর ২০১৪ সালে তাকে লিবিয়ায় ফিরিয়ে এনে জেলে বন্দি করে রাখা হয়। এরপর থেকেই তিনি জেলে ছিলেন।

২০১১ সালে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধে সম্পৃক্ত থাকা ও ২০০৫ সালে ফুটবল কোচ বশির আল-রায়ানিকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে সাদির বিরুদ্ধে।

পরে ২০১৮ সালে তাকে বশির আল-রায়ানি হত্যা মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়।

দীর্ঘ ১০ বছর ধরে লিবিয়ায় বিশৃঙ্খলা, বিভক্তি এবং সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত সংঘাতে গাদ্দাফির তিন সন্তান নিহত হয়েছেন।

শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় মার্চে দেশটিতে জাতীয় ঐক্য সরকার স্থাপিত হয়। এই সরকারের অধীনে ডিসেম্বরে দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।

সরকারি সূত্রটি জানিয়েছে, জ্যেষ্ঠ উপজাতীয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ ডিবেইবির মধ্যে আলোচনার ফলশ্রুতিতে সাদি মুক্তি পান।

এই আলোচনায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফাতি বাশাগাও ছিলেন বলে জানিয়েছে অপর এক সূত্র।