রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:৩২
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

আবরার হত্যায় ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বহুল আলোচিত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। এছাড়াও ৫ আসামির যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৬ মার্চ) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে বি রুমি, জহিরুল ইসলাম সুমন, নূর মোহাম্মদ আজমী, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার সুমাইয়া আজিজ উপস্থিত ছিলেন।

রোববার বেলা ১১টায় বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চে রায় পড়া শুরু হয়।

এর আগে, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হল থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আবরারের বাবা চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে বুয়েটের ২৫ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। এতে বলা হয়, ‘আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ করে ছাত্রশিবিরের কর্মী সন্দেহে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে আবরারকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেন।’ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

ওই মামলায় ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর রায় দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য বিচারিক আদালতের রায়সহ নথিপত্র ২০২২ সালের ৬ জানুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়, যেটি ডেথ রেফারেন্স হিসাবে নথিভুক্ত হয়।