শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৩৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

জবির বাংলাবিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদানের শুভসূচনা

মিজানুর রহমান, জবি প্রতিনিধি  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ( জবি) বাংলা বিভাগ থেকে প্রথমবারের মতো পি.এইচ.ডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক- ড. মিল্টন বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে এ পি.এইচ.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন মিজানুর রহমান মোল্লা। তার এ পিএইচ.ডি ডিগ্রি অর্জনের মধ্য দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পিএইচ.ডি ডিগ্রি প্রদানের শুভসূচনা হলো।

গত বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮১তম সিন্ডিকেট সভায় তাঁর পিএইচ.ডি ডিগ্রি অনুমোদন দেওয়া হয়।মিজানুর রহমানের গবেষণা কর্মের শিরোনাম ছিল “কাজী মোতাহার হোসেনের সমাজ সংস্কৃতি ও জীবন ভাবনা”। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.ফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর বাঁশগ্রাম আলাউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন নিয়ে মিজানুর রহমান বলে, আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। বিশেষ করে বাংলাবিভাগের অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাসকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, স্যারের বন্ধুসুলভ আচরন এবং সার্বিক সহযোগিতা আমায় মুগ্ধ করেছে৷ তিনি আমায় সর্বদা অনুপ্রেরণা এবং কাজ করতে সহযোগিতা করেছে। এসময় তিনি পিএইচডি অর্জনে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করার জন্য পরামর্শ দেন।

এদিকে একই সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে বাংলা বিভাগ থেকে এনামুল হক ও বলাই চন্দ্র দত্তের এম.ফিল ডিগ্রি অনুমোদিত হয়।

গবেষক বলাই চন্দ্র দত্তের এম.ফিল অভিসন্দর্ভ ছিল “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পে ট্রাজেডি ও ঔপনিবেশিক বাস্তবতা” এবং এনামুল হকের এম.ফিল অভিসন্দর্ভ ছিল “বুদ্ধবেদ বসু ও সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যের তুলনামূলক আলোচনা।”