রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৩:৩০
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

শিশুখাদ্যের প্যাকেটে ‘প্রধানমন্ত্রীর উপহার’ লেখার নির্দেশ

ডেক্সরিপোর্ট  প্রানঘাতি মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের সময়ে শিশুদের সরকারি খাদ্যের প্যাকেটে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার’ লিখতে নির্দেশ দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

শনিবার (১২ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো মন্ত্রণালয় থেকে এক নির্দেশনায় শিশুখাদ্যের মোড়ক, প্যাকেট বা বস্তায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত এক আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা হিসেবে ত্রাণসামগ্রী ও শিশুখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। বরাদ্দ করা ত্রাণসামগ্ৰী ও শিশু খাদ্য প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা প্রশাসকরা সব সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে উপ-বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর বা ইউপি চেয়ারম্যানের অনুকূলে সরকারি আদেশ জারি করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ত্রাণসামগ্রী ও শিশু খাদ্য মোড়ক বা প্যাকেট বা বস্তায় বিতরণ করতে হবে। মোড়ক বা প্যাকেট বা বস্তার গায়ে প্রধানমন্ত্রীর সরকারী ছবিসহ ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার’ লিখতে হবে। মোড়ক বা প্যাকেট বা বস্তার গায়ে ‘গণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশ সরকার’ সম্বলিত গোল সিল ব্যবহার করতে হবে।

‘ত্রাণসামগ্রী ও শিশু খাদ্য উত্তোলন এবং বিতরণে সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসাররা সার্বক্ষণিকভাবে উপস্থিত থাকবেন। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যতয় ঘটানো যাবে না।’

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, এসব ত্রাণসামগ্রী ও শিশুখাদ্য বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবহিদিতা নিশ্চিতকরণে ইতোপূর্বে এই মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা সব বিধি-বিধানের সঙ্গে এসব নির্দেশনা বাধ্যতামূলকভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

করোনা মোকাবিলায় তাৎক্ষণিকভাবে মানবিক সহায়তার অংশ হিসাবে সম্প্রতি শিশুখাদ্যের প্যাকেটে খেজুর, বিস্কুট, ফর্টিফাইড তেল, ব্রাউন চিনি, সুজি, মশুরের ডাল, সাগু, ফর্টিফাইড চাল, ওয়াটার পিউরিফাইড ট্যাবলেট, বাদাম, মানসম্মত রেডিমেড ফুড ইত্যাদি স্থানীয়ভাবে কিনে বিতরণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে দুই দফায় এক কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।