রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:০৬
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

করোনায় প্লাজমা থেরাপির কথা ভাবছে বাংলাদেশ

ডেক্সরিপোর্ট  মরণঘাতী করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপির কথা ভাবছে বাংলাদেশ। গবেষকরা বলছেন, ইবোলা কিংবা নিপাহ ভাইরাস প্রতিরোধে কাজে এসেছে এই পদ্ধতি। তাই এমন সংকটে আশঙ্কাজনক রোগীদের প্রাণ বাঁচাতে পারে সুস্থ রোগীর প্লাজমা। স্বাস্থ অধিদপ্তরও বলছে, বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন তারা।

নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট ওষুধ পেতে সময় লাগবে এক যুগেরও বেশি। এ মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ৭০টি ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে। এর মধ্যে দুটি ক্লিনিক্যাল স্টেজে ও একটি গবেষণা স্টেজ টুতে। প্রচলিত ওষুধ কতটুকু কাজ করবে তা জানতেও সময় লাগবে কয়েক মাস। তাই এ মহাবিপদে প্রাণ বাঁচাতে পারে প্লাজমা থেরাপি।

বাংলাদেশ ফারমাকোলজি সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক সায়েদুর রহমান খসরু বলেন, যে মানুষটি আক্রান্ত হচ্ছেন এবং সুস্থ হয়ে উঠছেন ওনার রোগের লক্ষণ দূর হওয়ার পর তার প্লাজমাটা ব্যবহার করা যেতে পারে।

বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে এ পদ্ধতি প্রযোগের কথা ভাবছে গবেষকরা। সেক্ষেত্রে গুরুতর রোগীদের এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা হতে পারে।

সায়েদুর রহমান বলেন, এটি সবার জন্য ব্যবহার হবে না। কেবল ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।

এরই মধ্যে বিষয়টি আমলে নিয়ে কাজ শুরু করার কথা বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ জানান, এ বিষয়টি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। পরবর্তী পদক্ষেপ এরপর নেয়া হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে মোট আক্রান্তের পাঁচ থেকে সাত ভাগ রোগী মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছে থাকে।