ডেক্সরিপোর্ট শ্রমিকদের ঢাকায় আসার প্রয়োজন নেই। বেতন পৌঁছে দেয়া হবে। পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র এমন আশ্বাসের পরও চাকরি বাঁচাতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কর্মস্থলে ছুটে আসছেন পোশাক শ্রমিকরা।
সীমিত পরিসরে কারখানা খুলে দেয়ার কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্র অনেকটাই উল্টো। কেবল গাজীপুরেই খোলা রয়েছে প্রায় সাড়ে ৫শ’ পোশাক কারখানা।
এদিকে, পোশাক শিল্পের করণীয় ঠিক করতে আবারো মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করছেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী।
সকাল থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জৈনাবাজার হয়ে রাজধানীতে ঢুকছেন অংখ্য শ্রমিক। কখনো পায়ে হেঁটে আবার কখনো ছোট যানবাহনে খণ্ড খণ্ড করে ঢাকায় ফিরছেন তারা। অনেকে পিকআপ ভ্যানে গাদাগাদি করে রওয়ানা হচ্ছেন কর্মস্থলে।
এদিকে, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কারখানাগুলোতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শ্রমিকরা। সীমিত পরিসরে স্থানীয় শ্রমিকদের দিয়ে কাজ চালানোর কথা থাকলেও গাজীপুরের অনেক কারখানা চলছে পুরো দমে।
শ্রমিক নেতারা বলছেন, সংগঠনের নির্দেশনা না মেনে অনেক মালিক শ্রমিকদের ঝুঁকির মুখে ফেলছেন।
শ্রমিক নেতা সিরাজুল ইসলাম রনি বলেন, ‘আমরা চরম একটা সিদ্ধান্ত দেব, কেন একটা শ্রমিকও আসতে পারবে না। তাদের দিয়ে ফ্যাক্টরি চালাতে হয়। তাহলে তাদের আনতে হলে সেই ব্যবস্থা করেই আনতে হবে।’
এদিকে, সীমিত আকারে ও স্থানীয় শ্রমিকদের দিয়ে কারখানা চালাতে আবারো নির্দেশ দিয়েছে বিজিএমইএ।