সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২০ ইং, রাত ১০:২৬
শিরোনাম :
মানবপাচারে জড়িত পিয়নের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩০ কোটি টাকা আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেয়ার উদ্যোগ মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদে জীবানুনাশক টানেল স্থাপণ ফুলবাড়ীতে গরীব অসহায় বানভাসিদের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ বিতরণ কুড়িগ্রামে বন্যার পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি বরিশালে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবীতে ইমারত নির্মাণ শ্রমীকদের বিক্ষোভ বানিয়াচংয়ে করোনা আক্রান্তের বাড়িতে ফলের ঝুঁড়ি নিয়ে গেলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রাস্ট্রীয় পাট কল বন্ধ করার প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন কর্মসূচি পালিত ঝালকাঠিতে নতুন করে ৭ জন করোনায় আক্রান্ত

চীনা সেনা ঢুকে পড়ার আশঙ্কায় আতঙ্কে ভারতের গ্রামবাসীরা

অনলাইন ডেস্ক ভারতের গ্রামে চীনা সেনাবাহিনীর ঢুকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে করে ওই গ্রামের বাসিন্দাদের দিন কাটছে আতঙ্কে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়,গত দুই থেকে তিন সপ্তাহের ভেতর চীনা সেনাবাহিনী প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা এলএসি বরাবর অন্তত চার জায়গা অতিক্রম করে অবস্থান নিয়েছে।

সেই জায়গাগুলো হলো- লাদাখের প্যাংগং সো বা প্যাংগং লেক, গালওয়ান নালা ও ডেমচক, আর সিকিমের নাকু লা।

কিছুদিন আগে ভারতীয় ও চীনা সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ হয়। তখন প্যাংগং লেক পাড়ের গ্রামটির অবস্থা কী ছিল সেটির কিছু ফুটেজ এসেছে বিবিসির কাছে।

চীনের সঙ্গে ভারতের বিতর্কিত সীমানার ৩০-৪০ কিলোমিটার দূরেই অবস্থান মান নামের এই গ্রাম। প্যাংগং লেক পাড়েই অবস্থিত এটি। এখানে মে মাসে চীন ও ভারতের সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এই অঞ্চলটিকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। তাই স্থানীয়দের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এক রকম অসম্ভব।

দুর্জয় নামে মান গ্রামের এক লোক বলেন,আমাদের গ্রামে করোনা ভাইরাস বা লকডাইন কিছুর প্রভাব নেই।

গ্রামের সাবেক কাউন্সিলর নামগাল বুরবক বলেন,তার গ্রামটি ভারত নিয়ন্ত্রিত লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের কাছে অবস্থিত। এখানে কিছুই যদি না হতো তাহলে এতো চীনা সেনা কেন? আমরা আগে ফিঙ্গার আর্ট পর্যন্ত যেতে পারতাম। এখন চীনের সেনারা এখান পর্যন্ত এসেছে। এটাও তো অনধিকারপ্রবেশ। দেখুন গালওয়ান উপত্যকায় আমাদের ঘোরা চড়ে বেড়াতো। এখন চীনের সেনারা সেটা নিয়ন্ত্রণ করছে।’

বিবিসির সংবাদদাতা বলছেন,যে সীমানা রেখা চীন ও ভারতকে আলাদা করেছে তার পুরোটাই বিতর্কিত।কারণ দু’দেশই দাবি করছে এটি তাদের অঞ্চল। আর এটিই গ্রামবাসীদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। কখন চীনের সেনাবাহিনী ঢুকে পড়ে তা নিয়ে আতঙ্কে কাটছে তাদের দিন।’