রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ২:৪১
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

সমুদ্রের নিচ দিয়ে ২৩১২ কিমি. ক্যাবল লাইন টানল ভারত

অনলাইন ডেস্ক  সমুদ্রের নিচ দিয়ে চেন্নাই থেকে আন্দামানের পোর্ট ব্লেয়ার পর্যন্ত ২ হাজার ৩১২ কিলোমিটার লম্বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল লাইন টানল ভারত।

সোমবার এই ঐতিহাসিক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এর ফলে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের টেলিকম পরিষেবা আগের চেয়ে অনেক উন্নত হবে। ভারতের মূল ভূখণ্ডের মতোই হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড কানেকটিভিটি পাবেন সেখানকার মানুষ।

ক্যাবল লাইন চালু করে মোদি বলেন, ‘পোর্ট ব্লেয়ার, লিটল আন্দামান ও স্বরাজ দ্বীপসহ আন্দামানের এক বিরাট অংশে পরিষেবা দেবে এই ক্যাবল লাইন।’

পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ওই ক্যাবল লাইন গেছে স্বরাজ দ্বীপ (হ্যাভলক), লিটল আন্দামান, কার নিকোবর, কামরতা, গ্রেট নিকোবর, লং আইল্যান্ড এবং রঙ্গতে।

মোদি বলেন, ‘কোনো প্রকল্প যত বড় হয়, তাকে ততই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। দেরি সত্ত্বেও এই প্রকল্প যে শেষ হয়েছে, সেজন্য আমি খুশি। আন্দামান দেশের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেখানকার মানুষ কঠিন পরিশ্রমী। সেখানে উন্নতমানের টেলিকম পরিষেবা পৌঁছে দেয়া আমাদের কর্তব্য।’

টেলিকম দফতরের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আগামী দিনে আন্দামান-নিকোবরের মানুষ হাইস্পিড টেলিকম ও ব্রডব্যান্ড পরিষেবা পাবেন। এতে সাধারণ মানুষের যেমন সুবিধা হবে, তেমনই সুবিধা হবে প্রশাসনেরও।’

সমুদ্রের নিচ দিয়ে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল পাতার জন্য অর্থ দিয়েছে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন ইউনিভার্সাল সার্ভিস অবলিগেশন ফান্ড। পুরো প্রকল্পে খরচ হয়েছে এক হাজার ২২৪ কোটি টাকা।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড। টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছে টেলিকমিউনিকেশন্স কনসালট্যান্টস ইন্ডিয়া লিমিটেড।