রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:০৬
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

ইউএনও ওয়াহিদা শঙ্কামুক্ত: মেডিকেল বোর্ড

ডেক্সরিপোর্ট  দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম এখন শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড।

সরকারি এই কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শনিবার সকালে ওয়াহিদার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন মেডিকেল বোর্ডের প্রধান জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. জাহেদ হোসেনসহ অন্য সদস্যরা।

ডা. জাহেদ বলেন, ওয়াহিদার অবস্থা ইতিবাচক, অক্সিজেন লেভেল বেড়েছে। তার অবস্থার দ্রুতি উন্নতি হচ্ছে। আগে তার প্রেসারে কিছুটা সমস্যা ছিল সেটাও এখন উন্নতি হয়েছে।

‌তিনি বলেন, তার মাথায় আঘাতের ফলে তার শরীরের ডানপাশটা নাড়াচাড়া করতে একটু সমস্যা হচ্ছে। সেটা ঠিক হতে হয়ত একটু সময় লাগবে। এছাড়া অন্য কোনো সমস্যা এই মুহুর্তে নেই।

ওয়াহিদা খানমকে দেখতে সকালে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম।

তিনি বলেন, আমার মনে হয়েছে সি ইজ গুড। এই মুহুর্তে তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়ার প্রয়োজন নেই। তারপরও এটা মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত।

বুধবার রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে ইউএনওর বাসভবনের ভেন্টিলেটর দিয়ে বাসায় ঢুকে ওয়াহিদা ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলা হয়।

গুরুতর আহত ওয়াহিদাকে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিকালে হেলিকপ্টারে তাকে ঢাকার এনে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।