রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১২:৩২
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

জেনারেল সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য দিল ইরান

অনলাইন ডেস্ক  জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার ক্ষেত্রে মার্কিন বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনায় জড়িত ব্রিটিশ নিরাপত্তা কোম্পানি জি-৪এস।

বুধবার ইরানের সরকারি কৌঁসুলি আলি আল-কাসি মেহের এ তথ্য দিয়েছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে।

ব্রিটেনের এ নিরাপত্তা কোম্পানি মার্কিন সেনাদের তথ্য দিয়ে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা করেছিল বলে দাবি করেছেন ইরানের সরকারি এ কৌঁসুলি।

তিনি বলেন, জেনারেল সোলাইমানি ও তার সঙ্গীরা সিরিয়া থেকে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে সে খবর মার্কিন বাহিনীকে জানিয়ে দেয় ব্রিটেনের এই কোম্পানি।

বাগদাদ বিমানবন্দরের বিমানের ফ্লাইটের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব পালন করছিল ব্রিটিশ কোম্পানি জি-৪এস।

জার্মানিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিও জেনারেল সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডের আগে তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে জড়িত ছিল বলে জানান আলি আল-কাসি।

ইরানের এ আইন কর্মকর্তা আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেসব অপরাধী বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছে তাদের খুঁজে বের করে ইরানে আনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

২০২০ সালের একবারে শুরুতে ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জেনারেল সোলাইমানিকে বহনকারী গাড়ির ওপর ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করে মার্কিন সেনারা।

হামলায় ইরাকের স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী হাশদ আশ-শাবির উপ প্রধান আবু মাহদি আল-মুহান্দিসসহ দুই দেশের আরও ৮ কমান্ডার শহীদ হন। এই হত্যাকাণ্ড বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করে। নিন্দার ঝড় উঠে সর্বত্র।