রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ২:০৫
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

শেষ মুহূর্তে ৭৩ জনকে ক্ষমা করলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক  হোয়াইট হাউস ছেড়ে যাওয়ার আগে ৭৩ জনকে ক্ষমা করে দিয়েছেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

এর আগে বিদায়ী ভাষণে ট্রাম্প বলেন, আমরা তা-ই করেছি,, যা করতে এসেছিলাম— এবং প্রত্যাশার চেয়েও বেশি করেছি।

ইউটিউবে পোস্ট করা এক ভিডিওতে এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি এক কঠিন লড়াই করেছি; কঠিনতম লড়াই… কারণ সে জন্যই আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছিলেন।

গত নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের কাছে এখনও নিজের পরাজয় স্বীকার করে নেননি ট্রাম্প।

বুধবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে ডেমোক্র্যাটদলীয় বিজয়ী জো বাইডেনের।

ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই সপ্তাহ ক্যাপিটল ভবনে প্রাণঘাতী দাঙ্গায় উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে দ্বন্দ্বেই কেটে গেছে। টুইটার, ফেসবুকসহ সামাজিকমাধ্যমগুলোতে নিষিদ্ধ হয়ে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে হয়েছে তাকে।

নির্বাচনের ফল উল্টাতে উগ্র ট্রাম্প সমর্থকদের হামলায় ৬ জানুয়ারি এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

ভিডিওতে ট্রাম্প বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতা হলো—আমরা আমেরিকান হিসেবে যা কিছু লালন করি, তার ওপর হামলা। এটি কখনও সহ্য করা হবে না।

ভিডিওতে উত্তরসূরি বাইডেনের নাম তিনি একবারেও মুখে নেননি।

কংগ্রেস ভবনে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হয়েছেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ছাড়ার পর সিনেটেও তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে ভবিষ্যতে কোনো সরকারি অফিসের জন্য তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।