শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:২৫
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

এরদোগানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে জীবন দিতে রাজি

অনলাইন ডেস্ক  নির্বাচনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের পরাজয় ও তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়ার বিনিময়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় সাবেক এক নেতা।

রিপাবলিকান পিপল’স পার্টির (সিএইচপি) সাবেক নেতা আয়ুটুগ আটিসি বলেন, আমি দেখতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব এরদোগান ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছেন। এটা খুবই পরিষ্কার। কিন্তু কীভাবে?

‘গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচন দেয়া হোক এবং আমরা তাকে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করবো। খোলাখুলিভাবে বলছি, আর এসব অর্জনের জন্য আমি জীবন দিয়ে দেব। এই ইস্যুতে সর্বোচ্চ আমরা এতুটুকু উৎসর্গ করতে পারি।’

এক কর্মসূচিতে অন্যান্য বক্তাদের পাশাপাশি এই রাজনীতিবিদ বলেন, আমি কেবল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার কথা বলছি।-খবর ডেইলি সাবাহ’র

তিনি আরও জানান, হাজারো সরাসরি সম্প্রচারে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। আমার কথাগুলো কী; তা দর্শকেরা জানেন। গণতান্ত্রিকভাবে এরদোগানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আমি সবকিছু করতে রাজি আছি।

চলতি মাসের শুরুতে বিরোধী সাংবাদিক ক্যান আটকলি বিতর্কিত একটি মন্তব্য করে আলোড়ন তোলেন। তিনি বলেন, এরদোগানকে ক্ষমতা থেকে সরাতে ব্যাপক গণবিক্ষোভ দরকার।

২০০১ সালে জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি গঠনের পর থেকে তুরস্কের রাজনীতিতে প্রাধান্য বিস্তার করে আসছেন এরদোগান।

তার নেতৃত্বে দলটি গতিশীলতা পায় এবং ২০০২ সালের ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ৩৪ দশমিক ২৮ শতাংশ ভোট নিয়ে নেতৃত্বে স্থানে চলে যায়। এরপর থেকে দলটি ছয় সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রতিটিতে জয়ী হয়েছে একে পার্টি।