রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১:১৫
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

ভারতের সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বয়কট করবে ১৬ বিরোধী দল

অনলাইন ডেস্ক      ভারতের সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১৬টি বিরোধী দল। কৃষি আইন প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের ওপর চাপ যাতে বজায় থাকে, তার জন্য এ পন্থা নিল বিরোধীরা। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, ১৬টি দল একযোগে সংসদের যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বয়কট করবে বলে জানিয়েছেন। রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতা প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে যে হিংসা হয়েছে, তাতে সরকারের ভূমিকা কি ছিল, সেই নিয়ে তদন্তের দাবি করেছে।

বুধবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়, একবছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার দিল্লিতে আইনের শাসন ভেঙে পড়েছে। দিল্লি পুলিশ যেহেতু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের আওতায়, তাই এর দায় অমিত শাহকে নিতে হবে। এখনই মোদির উচিত শাহকে বরখাস্ত করা বলে জানান কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা।

কংগ্রেসের দাবি, কৃষকদের আন্দোলন দুর্বল করার জন্যই একশ্রেণির বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে সরকার। তার জেরেই লাল কেল্লায় উড়েছে ধর্মীয় পতাকা।

গুলাম নবি আজাদ বলেন, সংসদে কৃষি বিলগুলি নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ দেয়নি সরকার। তার আগেই জোরজবরদস্তি করে বিলগুলি পাস করানো হয়। সেটার বিপক্ষেই আমাদের এ প্রতিবাদ।

প্রসঙ্গত, বাজেট অধিবেশনের শুরুতে সংসদের যৌথ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার কথা ভারতের রাষ্ট্রপতি কোবিন্দের। কিন্তু সেখানে উপস্থিত থাকবেন না বিরোধীরা। বাজেট অধিবেশন যে শান্ত ভাবে হবে না ও কৃষি আইন নিয়ে উত্তাল হবে লোকসভা ও রাজ্যসভা, সেটারই ইঙ্গিত এটি বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।