রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:৪৯
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানকে ‘মন্ত্রিসভার রদবদল’ বলছে চীনা মিডিয়া

অনলাইন ডেস্ক  মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থান ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচির আটককে ‘মন্ত্রিসভার বড় ধরনের রদবদল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে প্রতিবেশী চীনের গণমাধ্যম।

সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলকে অভ্যুত্থান হিসেবে আখ্যায়িত না করে এভাবেই উল্লেখ করা হয়েছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

জনগণের ভোটে নির্বাচিত নতুন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন এবং নতুন সরকারের যাত্রালগ্নে সামরিক বাহিনীর এই নিয়ন্ত্রণের নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক নেতৃবৃন্দ।

যারা মিয়ানমারের জনগণের পাশে দাঁড়াবেন তাদের কথা মাথায় রাখার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

কিন্তু চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃবৃন্দ এই অভ্যুত্থানের প্রতি সতর্ক পদক্ষেপ ও নরম মনোভাব গ্রহণ করেছেন। মতপার্থক্য কমিয়ে আনতে মিয়ানমারের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।

নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলকে ‘মন্ত্রিসভার বড় ধরনের রদবদল’ বলে আখ্যায়িত করেছেন বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার কর্মকর্তারা।

আর অজ্ঞাত বিশেষজ্ঞদের বরাতে এই অভ্যুত্থানকে মিয়ানমারের অকার্যকর ক্ষমতা কাঠামোর সঙ্গে একটি সমন্বয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছে গ্লোবাল টাইমস।

চীনের সমালোচকদের বিরুদ্ধে সবসময় আগুনঝরা ভাষ্য দেওয়ার জন্য বিখ্যাত এই পত্রিকাটি। এবার সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি কটাক্ষ করতে এই অভ্যুত্থানকে ব্যবহার করেছে তারা।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী মনোভাবের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কমিউনিস্ট দেশটির সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।

গ্লোবাল টাইমস বলছে, কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, ট্রাম্প নির্বাচনের ফল মেনে নিতে অস্বীকার করেছেন। এছাড়া ক্যাপিটল হিলের দাঙ্গায় তিনি উসকানি দিয়েছেন। কাজেই তিনি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারেন।