রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:১৮
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

মিয়ানমার সেনাপ্রধানের দুই সন্তানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক  মিয়ানমারে অভুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে দেশটির সামরিক বাহিনীর দ্বারা জনগণের ওপর অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করা দেশটির সামরিক জান্তা সরকার প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের দুই সন্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মিয়ানমারের স্থানীয় গণমাধ্যম ইরাবতির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জেনারেল মিনের দুই সন্তান অং পায়ে সোন এবং খিন থিরি থেট মনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের পরিচালিত ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি অফিসের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ (ওএফএসি)।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- অ্যা অ্যান্ড এম মাহার কোম্পানি লিমিটেড, স্কাই ওয়ান কনস্ট্রাকশন, দ্য ইয়াঙ্গুন রেস্টুরেন্ট, ইয়াঙ্গুন গ্যালারি এবং এভারফিট কোম্পানি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এবং বাবার নাম ব্যবহার করে অবৈধভাবে প্রভাব খাটাতেন অং পায়ে সোন এবং খিন থিরি থেট মন।

এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি এক বিতর্কিত সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে সামরিক বাহিনী। কারাবন্দি করা হয় দেশটির গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সান সু চিসহ ক্ষমতাসীন দলের অধিকাংশ নেতাকে। দেশজুড়ে আগামী এক বছরের জন্য জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা।

পরবর্তীতে জরুরি অবস্থা ভেঙে রাজপথে নেমে আসে মিয়ানমারের সর্বস্তরের জনতা। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করা সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলেন। সেই আন্দোলনে এখন পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে ৮০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আটক করা হয়েছে ২ হাজারের বেশি মানুষকে। এ ছাড়া পুলিশি হেফাজতে সু চির দলের আরও দুই নেতার মৃত্যু হয়েছে।