রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:৪০
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

মামুনুল হক রিসোর্টে যে নারীসহ ছিলেন তিনি তার স্ত্রী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট  হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জের রিসোর্টে যে নারীসহ ছিলেন তিনি তার স্ত্রী নন বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রবিবার (৪ এপ্রিল) হাটহাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সোনারগাঁওয়ে তাণ্ডবের প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এ দাবি করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সোনারগাঁও উপজেলার একটি রিসোর্টে মামুনুল হক এক নারীকে নিয়ে অবস্থান করছিলেন। তিনি তার স্ত্রী নন। এ বিষয়ে আমি আরও ঘটনা জেনে সবাইকে জানাব।

নারী নিয়ে রিসোর্টে মামুনুল হকের অবস্থান এবং পরবর্তী সময়ে হামলার ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। হেফাজত লোকেরা কেন রিসোর্টটিতে হামলা করার সময় সেখানে কয়েকজন বিদেশি ছিলেন। পরে পুলিশ ও বিজিবি গিয়ে তাদের রক্ষা করেছে বলেও জানান তিনি।

দেশব্যাপী সম্প্রতি হেফাজতের তাণ্ডবের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে এই ধরনের তাণ্ডব কেন, নিশ্চয়ই এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি। যারাই তাণ্ডব করে থাকুক তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।’

প্রসঙ্গত শনিবার হেফাজত নেতা মামুনুল হককে এক নারীসহ রিসোর্টে আটক করেন স্থানীয়রা। মামুনুল হক ওই নারীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন। তাকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে হেফাজত কর্মী ও তার অনুসারীরা রাতে রিসোর্টে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরে মামুনুলকে সেখান থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যান তারা।