মঙ্গলবার, ১১ই মে, ২০২১ ইং, সকাল ৮:০৭
শিরোনাম :
বরিশালে ভাড়া বাসায় বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য ঘনীভূত বকশীগঞ্জে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬৫০ পরিবারের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গী বিতরণ পুকুর খননকালে উঠে এলো মানুষের কঙ্কাল! ফুলবাড়ীতে দরিদ্রদের মাঝে বন্ধুমহল সেচ্ছাসেবী সংগঠনের ঈদ উপহার বিতরণ গঙ্গায় ভেসে উঠছে শতাধিক মৃতদেহ, ভারতে নতুন আতঙ্ক দক্ষিণাঞ্চলের দেড় কোটি মানুষের ২৬ আইসিইউ বেড, ২ হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন! জেরুজালেমে রকেট হামলা আস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা হারালেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী দেবীদ্বারে বৃদ্ধ দম্পতিকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে যখম করল ভাতিজা পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে অসহায়,হতদরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

রাত ১২টা পর্যন্ত শপিং মল খোলা রাখতে চায় দোকান মালিক সমিতি

ডেস্ক রিপোর্ট  করোনার মহামারির এই সময়ে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্ত সাপেক্ষে গত ৯ এপ্রিল থেকে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সারাদেশে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি রয়েছে ব্যবসায়ীদের। তবে আসছে পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকান-শপিংমল খোলা রাখতে চাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

রাত ১২টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি চেয়ে রোববার (২ মে) প্রধানমন্ত্রীর দফতরে একটি চিঠি দিয়েছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির সভাপতি হেলাল উদ্দিনের সই করা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের কাছে এই অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, দোকান ও মার্কেট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপে ৯৫ শতাংশ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিং করছেন। ঈদের মাত্র ১০ দিন বাকি। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্রেতাদের কেনাকাটার স্বার্থে সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুমতি প্রদানের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

এতে আরও বলা হয়, সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মার্কেট ও দোকান খোলা থাকলেও সাধারণ ক্রেতারা বিকেল ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে কেনাকাটা শেষ করে বাসায় ইফতার করেন। কারণ ইফতারের জন্য কোনো হোটেল ও রেস্তোরাঁ খোলা থাকে না। অন্য দিকে বেসরকারি অফিস বিকেল ৪টায় ছুটি হয়।

চিঠিতে বলা হয়, অফিসের মানুষ মার্কেটে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কেনাকাটা করেন। এ সময়ে মার্কেটে ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় হয়। বাসায় গিয়ে ইফতার করলে সন্ধ্যা হয়ে যায়। ফলে মার্কেট ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকলেও এক ঘণ্টার জন্য কেউ আসেন না। এতে মার্কেট ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে। তাই শেষ বিকেল ও সন্ধ্যায় মানুষের ভিড় কমাতে রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১২টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখার অনুরোধ করছি।