রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:১২
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

রাত ১২টা পর্যন্ত শপিং মল খোলা রাখতে চায় দোকান মালিক সমিতি

ডেস্ক রিপোর্ট  করোনার মহামারির এই সময়ে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্ত সাপেক্ষে গত ৯ এপ্রিল থেকে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সারাদেশে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি রয়েছে ব্যবসায়ীদের। তবে আসছে পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকান-শপিংমল খোলা রাখতে চাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

রাত ১২টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি চেয়ে রোববার (২ মে) প্রধানমন্ত্রীর দফতরে একটি চিঠি দিয়েছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির সভাপতি হেলাল উদ্দিনের সই করা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের কাছে এই অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, দোকান ও মার্কেট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপে ৯৫ শতাংশ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিং করছেন। ঈদের মাত্র ১০ দিন বাকি। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্রেতাদের কেনাকাটার স্বার্থে সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুমতি প্রদানের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

এতে আরও বলা হয়, সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মার্কেট ও দোকান খোলা থাকলেও সাধারণ ক্রেতারা বিকেল ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে কেনাকাটা শেষ করে বাসায় ইফতার করেন। কারণ ইফতারের জন্য কোনো হোটেল ও রেস্তোরাঁ খোলা থাকে না। অন্য দিকে বেসরকারি অফিস বিকেল ৪টায় ছুটি হয়।

চিঠিতে বলা হয়, অফিসের মানুষ মার্কেটে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কেনাকাটা করেন। এ সময়ে মার্কেটে ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় হয়। বাসায় গিয়ে ইফতার করলে সন্ধ্যা হয়ে যায়। ফলে মার্কেট ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকলেও এক ঘণ্টার জন্য কেউ আসেন না। এতে মার্কেট ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে। তাই শেষ বিকেল ও সন্ধ্যায় মানুষের ভিড় কমাতে রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১২টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখার অনুরোধ করছি।