রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ১১:০৫
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

ঘূর্নিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ভোলায় ১১ হাজার ৩০৯ টি ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত

ভোলা প্রতিনিধি  ভোলায় ঘূর্নিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ১১ হাজার ৩০৯ টি ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে । এর মধ্যে সম্পুর্ন বিধ্বস্ত হয়েছে ৩ হাজার ৫৭৯টি এবং আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ৭ হাজার ৭৩০টি ঘর-বাড়ি। এছাড়া ঝড়ের প্রভাবে ভোলা জেলায় অতি জোয়ারে পানিতে প্রায় ২ হাজার পুকরু ও মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।

ভোলা জেলায় ৭ উপজেলার মোট ৫১টি ইউনিয়নে কম-বেশি ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া তজুমদ্দিন উপজেলা সহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে প্রায় ২ হাজার গরু-মহিষ নিখোঁজ রয়েছে।

ভোলা জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন অফিস স‚ত্র জানিয়েছে, ভোলা সদরে ২৯০টি ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সম্প‚র্ণ বিধ্বস্ত ৮০টি এবং আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ২১০টি ঘরবাড়ি।

দৌলতখান উপজেলায় ঘরে ৩৫০টি ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে । যার মধ্যে সম্পুর্ন বিধ্বস্ত ৬০ এবং আংশিক বিধ্বস্ত ২৯০টি।
বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ২২০টি ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে । এর মধ্যে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে ২০ টি এবং আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ২০০টি ।
লালমোহন উপজেলায় ঝড়ে আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ১২০টি ঘর-বাড়ি ও ঝড়ের সময় গাছ চাপা পড়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তজুমদ্দিন উপজেলায় বিধ্বস্ত ৬ হাজার ঘর-বাড়ি। এর মধ্যে সম্প‚র্ণ ৩ হাজার এবং আংশিক ৩ হাজার।

চরফ্যাশন উপজেলায় ঝড়ের প্রভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ১৭০টি ঘর। এর মধ্যে সম্প‚র্ণ বিধ্বস্ত ৯৯টি এবং আংশিক বিধ্বস্ত ৭১টি।

মনপুরা উপজেলায় ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে ৪ হাজার ৬০টি ঘর। এখানে সম্প‚র্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে ৩২০টি ঘর এবং আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ৩ হাজার ৭৪০টি ঘর-বাড়ি। এছাড়া মনপুরায় ৬৪৫ টি পুকুর ও মাছের ঘের তলিয়ে গেছে অতি জোয়ারের পানিতে।

ক্ষয়-ক্ষতির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার তজুমদ্দিন উপজেলা এবং কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লালমোহন উপজেলা। এছাড়া তজুমদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন চরে ৮শ গরু এবং ১২শ মহিষ নিখোঁজ রয়েছে।

ভোলা জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মোতাহার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসন করা হবে। এছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১টি ইউনিয়নে গড়ে আড়াই লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নিখোঁজ গরু-মহিষের মধ্যে কিছু কিছুর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে, তার তালিকাও করা হচ্ছে।