রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৪৬
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

বরফ গলে অ্যান্টার্কটিকায় তাপমাত্রা ১৮.৩ ডিগ্রি, জাতিসংঘের উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক  ক্রমে আরও উষ্ণ হচ্ছে মেরু অঞ্চল। ২০২০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি অ্যান্টার্কটিকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ১৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। এর আগে এই অঞ্চলে এতটা তাপমাত্রা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়নি।খবর ইন্ডিয়া টুডের।

মরু অঞ্চলের এ অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বিশ্ব সংস্থাটি জানিয়েছে, আর্জেন্টিনায় অবস্থিত গবেষণাকেন্দ্র এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি লক্ষ্য করেছে।

বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধ করার ক্ষেত্রে বরফে মোড়া পৃথিবীর দুই মেরু অঞ্চল মুখ্য ভূমিকা পালন করে। সেখানে এই হারে উষ্ণতা বৃদ্ধি নানা দিক থেকে পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই উষ্ণতা বৃদ্ধি পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের দিকটি বুঝতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি, বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধের শেষ অস্ত্র এই মেরু অঞ্চলের পরিস্থিতি কী রয়েছে, তা বুঝতেও সাহায্য করবে।

২০১৫ সালের ২৪ মার্চ এই একই আবহাওয়া অফিস থেকে অ্যান্টার্কটিকার তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১৭.৫ ডিগ্রি। এর আগে সেটিই ছিল সর্বোচ্চ। তবে বৃহত্তর অ্যান্টার্কটিকার ক্ষেত্রে ১৯৮২ সালের ৩০ জানুয়ারি ১৯.৮৩ ডিগ্রি উষ্ণতা রেকর্ড করা হয়, যা সর্বোচ্চ।

আবহাওয়াবিরা জানিয়েছেন, পৃথিবী তাপমাত্রা ১৯ শতকের পর থেকে গড়ে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস করে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে বেড়েছে খরা, সমুদ্রের ঢেউ শক্তিশালী হয়েছে। ঝড় তৈরি হয়েছে। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকার বায়ুর উষ্ণতা এর দ্বিগুণ হারে বেড়েছে বলে জানাচ্ছেন তারা।

তাদের আশঙ্কা, এই অংশে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস গড় উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পশ্চিম অ্যান্টার্কটিক ও গ্রিনল্যান্ডে যে পরিমাণ বরফ গলবে তাতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে পারে অনেকটাই। তাতে বিপদ আরও বাড়বে, অনেক দেশ তলিয়ে যেতে পারে।