শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৬:৪২
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

গৃহকর্মীদের মুখে থুথু দিতেন সৌদি প্রিন্সের সন্তানরা!

অনলাইন ডেস্ক  ফ্রান্সে বসবাসরত সৌদি আরবের এক যুবরাজের সন্তানরা গৃহকর্মীদের মুখে থুথু দিতেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সৌদি যুবরাজের সন্তানের মধ্য থেকে কেউ কাঁদলে ওই গৃহকর্মীদের শাস্তি দেওয়া হতো। এছাড়া ওই গৃহকর্মীদের বাচ্চাদের সব আব্দার পূরণ করার আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

সৌদি যুবরাজ ফয়সাল বিন তুরকি বিন আবদুল্লাহ আল সৌদের (৪৪) ফ্রান্সের অ্যাপার্টমেন্টে কাজ করতেন ফিলিপাইনের সাত নারী।

রাতে সৌদি যুবরাজ আর তার স্ত্রী ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত গৃহকর্মীদের জেগে থাকতে হতো। কখনো কখনো রাত তিনটার আগে গৃহকর্মীরা ঘুমানোর অনুমতি পেতেন না। এমনকি ঘুমানোর পর সর্তক থাকতে হতো যেন রাতে প্রয়োজনে ডাকলেই তারা সাড়া দিতে পারেন।

রাতে ঘুমাতে পারুক না না পারুক সকাল ৭টার দিকে বাচ্চারা উঠলেই গৃহকর্মীদের ঘুম থেকে উঠে যেতে হতো। সৌদি যুবরাজ আর তার স্ত্রী ঘুম থেকে উঠতেন দুপুরের দিকে।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের কাছে সৌদি যুবরাজের অ্যাপার্টমেন্টে থাকা সাতজন গৃহকর্মীর সাথে করা আচরণ আধুনিক দাস প্রথার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তারা ২০১৯ সালের অক্টোবরে যুবরাজের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের অ্যান্টি-স্লেভারি অ্যাসোসিয়েশনে অভিযোগ করেন। তদন্তে এসব তথ্য সামনে আসে।

ওই গৃহকর্মীদের বয়স ৩৮ থেকে ৫১ বছরের মধ্যে। ফ্রান্সে আসার আগে কয়েকবছর তারা সৌদি আরবের রিয়াদে ওই যুবরাজের বাড়িতে কাজ করেছেন।

এদিকে এ ব্যাপারে ফ্রান্সে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলেও তাদের তরফ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।