রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১২:৪৩
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

হাটগুলোতে শেষ মুহূর্তে কম দামে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশু

ডেস্করিপোর্ট  কোরবানির পশুর হাটগুলোতে শেষ মুহূর্তের বেচাকেনায় ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতারা। তবে দাম নিয়ে হতাশার সুর ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষেরই। রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটগুলোতে তুলনামূলকভাবে একটু কমে গেছে গরু ও খাসির দাম। হাটে ছোট আকারের গরু বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৫০ হাজার টাকায়। মাঝারি আকারের গরু বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১ লাখে। আর একটু বড় আকারের গরুর দাম পড়ছে ১ লাখ ২০ হাজার থেকে দেড় লাখের মধ্যে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে নগরীর কোরবানির পশুর বিভিন্ন হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এদিকে বৃষ্টিতে হাট এলাকা কাদামাটি আর পশুর মলমূত্রে একাকার হয়ে গেছে। হাটে বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতাদের তেমন দেখা নেই।

শেষ মুহূর্তের কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই হতাশা বিরাজ করছে। একদিকে বিক্রেতারা বলছেন- তারা শেষ সময়ে বিক্রির আশায় কম দামে পশু ছেড়ে দিচ্ছেন। আর বিক্রেতাদের বক্তব্য- শেষ সময়ে কিনতেই হবে এমন ভেবে বিক্রেতারা বেশি দাম হাঁকাচ্ছেন।

তবে বিপদে পড়েছেন রাজধানীর বিক্রেতারা। কারণ একদিকে তাদেরকে বিক্রি করতেই হবে, না হলে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আবার ভাড়ার খরচ দিতে হবে। এছাড়া পশুগুলো ফেরত নিয়ে গেলে পরবর্তী ঈদ ছাড়া এসব পশুর উপযুক্ত ক্রেতাও পাওয়া যাবে না।

পশু বিক্রেতাদের ভাষ্য, প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম পাননি। তাতে যা আয় হয়েছে তা দিয়ে গরু লালন-পালনের ব্যয় উঠবে না বলেও আক্ষেপ করেন অনেকে। অনেকেই আবার শঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, যে পরিমাণ ক্রেতা আছে তাতে পশুগুলো বিক্রি হবে বলে মনে হচ্ছে না।

হাট ইজারা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সোমবার সারারাত থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় হাটে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল কম। সকালেও বৃষ্টির কারণে প্রত্যাশিত ক্রেতা আসেনি। এই পরিস্থিতিতে হাটে আনা বেশির ভাগ গরু অবিক্রীত রয়ে গেছে৷ আজ দুপুরের পরে ক্রেতারা হাটে আসতে শুরু করেছেন। এই সময়ে যারা হাটে এসেছেন, তারা তুলনামূলক কম দামে গরু কিনতে পারছেন।

তবে কেউ কেউ বলেন, ‘প্রথম দুদিন হাটে এসে মনে হচ্ছিল, এবারও হয়তো পছন্দের গরু কিনতে পারব না। বিক্রেতারা কয়েক গুণ বেশি দাম চাইছিলেন। তবে আজকে যে গরুটা কিনলাম, আগের মতো দাম হাঁকালে কিনতেই পারতাম না।’

বিক্রেতাদের মতে, লোকসান হলেও বিক্রি করেছি। কারণ গরু ফেরত নিলে আরও লোকসান হয়। আর কোরবানির পর গরুর আর দামও পাওয়া যায় না।