বৃহস্পতিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:০৬
শিরোনাম :
বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ২৫৪ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ জীবন থেকে ১৭ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী

চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত

ডেস্ক রিপোর্ট ।। সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

গত বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুর থেকেই চাঁদপুরে শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি। এরপর থেকে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার (২ আগস্ট) সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলায় এ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টায় চাঁদপুর আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক শাহ মুহাম্মদ শোয়েব এসব তথ্য জানান।

এদিকে টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টির কারণে চাঁদপুর শহরের বেশ কয়েকটি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে আবাসিক এলাকার সড়কগুলোর অবস্থা বেহাল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অসচেতনতার কারণে ড্রেনের মধ্যে ময়লা আবর্জনা জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

শহরের নাজির পাড়া, মাদ্রাসা রোড, পালপাড়া, নিউ ট্রাক রোড, রহমতপুর আবাসিক এলাকায় টানা বৃষ্টিপাতে সড়কে পানি জমে আছে। বৃষ্টি কমলে পানি কিছুটা হ্রাস পায়। আবার বৃষ্টি হলে একই অবস্থা।

শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টার পরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের দোকানগুলো খুলেছে। প্রয়োজন ছাড়া লোকজন বাসা থেকে বের হয়নি। বৃষ্টির কারণে দিন মজুর ও শ্রমিকদেরও কাজ বন্ধ হয়ে আছে।

শহরের পুরান বাজারের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবারে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে বৃষ্টির কারণে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অনেক দোকান দেরিতে খুলেছে। যারা নির্মাণ শ্রমিক তারাও কাজে যেতে পারেনি।

শহরের মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে সড়কে পানি। এখন পর্যন্ত একই অবস্থা। একটু পানি কমলেও বৃষ্টিতে আবারও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মসজিদ ও বাসা বাড়িতেও পানি উঠেছে। বর্ষা মৌসুমের কারণে আবার নদীতেও এখন পানি ভরপুর।