শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৬:১০
শিরোনাম :
ঢাকায় আরও দুটি মেট্রোরেল হবে,সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন রূপাতলীতে শ্রমিকনেতা কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদামুক্ত পরিবেশে স্বস্তিতে আলফা-সিএনজি চালকরা! বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার

রাষ্ট্রীয় সব অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ বলতে হবে:হাইকোর্ট

ডেক্সরিপোর্ট  আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সব অনুষ্ঠানের শুরুতে ও শেষে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তিসহ অন্য বক্তাদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করতে হবে বলে মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৪ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন,আব্দুল মতিন খসরু প্রমুখ। আইনজীবীরা জানান, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে যারাই বক্তব্য রাখবেন (বাংলাদেশি নাগরিক) তাদের সবাইকে বক্তব্যের শুরুতে ও শেষে ‘জয় বাংলা’ বলতে হবে।

আদালত বলেন, ‘জয় বাংলা স্লোগানই ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে জনগণকে একত্র করেছিল। যার ফলে আমরা পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করতে পেরেছি।

এর আগে ২০১৭ সালে জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে আইনজীবী ড.বশির আহমেদ হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর ‘জয় বাংলা’কে কেন জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। ওই রুলের ওপর বর্তমানে শুনানি চলছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।