রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:২৮
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

বজ্রপাতে মৃত্যু বাড়ছেই,সাড়ে চার মাসে ‘৮১ জনের’ মৃত্যু

ডেক্সরিপোর্ট  দেশে বজ্রপাত শুরুর সময় ধরা হয় এপ্রিল মাস। জুন পর্যন্ত আকাশে ঘন কালো মেঘ থাকে। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বজ্রপাত থাকলেও শুরুর তিন মাসকে ‘পিকটাইম’ গণ্য করেন বিশেষজ্ঞরা। এবার বছরের প্রথম সাড়ে চার মাসে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে বজ্রপাতে অন্তত ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

করোনাভাইরাসের কারণে চলমান পরিস্থিতিতে এ বছর বজ্রপাতে কম মৃত্যুর আশঙ্কা করেছিলেন সংশ্নিষ্টরা। কিন্তু প্রথম মাসেই অনেক মৃত্যুর ঘটনা ভাবিয়ে তুলেছে তাদের। নিহতদের অধিকাংশই পুরুষ। এর মধ্যে অন্তত ২৫ জন কৃষক।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর মহাপরিচালক মো. মোহসীন বলেন, জানুয়ারি থেকে ১৫ মে পর্যন্ত অন্তত ৮১ জন বজ্রপাতে মারা গেছেন। বজ্রপাতের ক্ষতি এড়াতে বজ্রপাতপ্রবণ এলাকা সেন্সরের মাধ্যমে চিহ্নিত করে জনগণকে কীভাবে দ্রুত জানানো যাবে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, তালগাছ যেগুলো লাগানো হয়েছে, সেগুলো বড় হতে অনেক সময় লাগবে। অন্তর্বর্তী এই সময়ে বজ্রপাত থেকে রক্ষায় ৭২৩টি স্থানে লাইটনিং অ্যারেস্টার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বজ্রপাত নিয়ে জনসচেতনা তৈরিতে কর্মরত বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডার অ্যাওয়ারনেস ফোরামের গবেষণা সেলের নির্বাহী প্রধান আব্দুল আলীম বলেন, “বিকল্প পদ্ধতিতে লাইটনিং ডিটেকটিভ সেন্সর ব্যবহার করে ১৫-২০ মিনিট আগে বজ্রপাত প্রবণতা এলাকার জনগণকে এসএমএস এর মাধ্যমে সতর্ক করতে পারলে ক্ষতি এড়ানো যাবে। লাইটনিং অ্যারেস্টারের মতো সফল উদ্যোগ নেওয়া গেলে বজ্রপাত প্রবণ এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব হতো।”

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ঝড় ও বজ্র বৃষ্টি হয় এপ্রিল ও মে মাসে। এ সময় ৬১ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া ঝড়ের সংখ্যা বেশি।

জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ৮টি অঞ্চলে স্থানে বজ্রপাত চিহ্নিতকরণ যন্ত্র (ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, পঞ্চগড়, নওগাঁ, খুলনা পটুয়াখালী ও চট্টগ্রামে লাইটনিং ডিটেকটিভ সেন্সর) রয়েছে।

“আমরা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ও প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এ সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে থাকি। তা জনগণের কাছে পৌঁছাতে ও প্রচারণায় ব্যপক উদ্যোগও থাকতে হবে।”