বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:৫১
শিরোনাম :
বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব

কোর্টে হাজিরা দিতে গিয়ে রাবির দুই ছাত্রদল নেতার মারামারি

রাবি প্রতিনিধি: ভাঙ্গচুর ও অগ্নিসংযোগ মামলার কোট্র্ েহাজিরা দিতে গিয়ে মারামারি করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের দুই নেতা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় রাজশাহী মহানগর কোর্টে এই ঘটনা ঘটেছে।

এসময় ছাত্রদলের যুগ্নসাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দীন চৌধুরী সানিন, সহআইন বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবীবকে মারধর করে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে নগরীর মতিহার থানায় আহসান হাবীব একটি সাধারণ ডাইরি (জিডি) করেছেন।

সহআইন বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবীব জানান, ২০১৫ সালের একটি মামলায় হাজিরা দেওয়ার জন্য আমি আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে বগুড়া থেকে রাজশাহীতে আসি। হাজিরা শেষে কোর্ট থেকে বের হওয়ার সময় সানিন ভাইয়ের সঙ্গে থাকা দুজন ছেলে এসে আমাকে আটক করে। তারা আমার দুই চেপে ধরে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। সানিন ভাইও আমার গলা চেপে ধরে মারধর করতে থাকে। তারা যখন আমাকে মারধর করছিল, তখন কোর্টের অন্য লোকেরা এসে আমাকে রক্ষা করে।

আহসান হাবীবের অভিযোগ, সানিন ভাইয়ের সঙ্গে আগে থেকেই আমার একটু ঝামেলা ছিল। তখন থেকেই ওনি আমাকে নানানভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন। আজ তিনি আমার ওপর হামলাও করলেন। আমি এখন নিরাপত্তা সংকটে আছি। তাই থানায় জিডি করেছি।

তবে মারধরের অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য যুগ্নসাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দীন চৌধুরী সানিনের মুঠোফোনে কয়েকবার ফোন করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, একটা মারামারির কথা শুনেছি। সন্ধ্যায় তাদের দুজনের সঙ্গে বসে আলোচনা করে ঘটনা মীমাংসা করে দেয়া হবে।